করোনা চিকিৎসায় আইভারমেক্টিনের সুফলের কোনও ক্লিনিক্যাল প্রমাণ নেই! আশঙ্কার কথা বলছে হু
ক্রমশ ভয়াবহ হচ্ছে করোনা পরিস্থিতি। প্রত্যেকদিন দেশজুড়ে ৪ লক্ষেরও বেশি মানুষ করোনা আক্রান্ত হচ্ছেন। কার্যত একই ছবি বাংলাতেও। দৈনিক সংক্রমণ প্রায় ২০ হাজার ছুঁইছুঁই পশ্চিমবঙ্গে। এই অবস্থায় করোনা চিকিৎসায় আইভারমেকটিন প্রে
ক্রমশ ভয়াবহ হচ্ছে করোনা পরিস্থিতি। প্রত্যেকদিন দেশজুড়ে ৪ লক্ষেরও বেশি মানুষ করোনা আক্রান্ত হচ্ছেন। কার্যত একই ছবি বাংলাতেও। দৈনিক সংক্রমণ প্রায় ২০ হাজার ছুঁইছুঁই পশ্চিমবঙ্গে।
এই অবস্থায় করোনা চিকিৎসায় আইভারমেকটিন প্রেসক্রাইব করছেন বহু চিকিৎসকই।

অনেকেই করোনা পজিটি হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আইভারমেকটিনের কোর্স শুরু করে দিচ্ছেন।
কিন্তু জানেন কি আইভারমেকটিনে কতটা ক্ষতি হচ্ছে? কিন্তু করোনা পরিস্থিতিতে এই ওষুধই আশার আলো দেখিয়েছিল চিকিৎসকদের। এই ওষুধেই আপত্তি জানাচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
সম্প্রতি এই ওষুধ নিয়ে একটি টুইট করেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার শীর্য বিজ্ঞানী সৌম্যা স্বামীনাথন। সেখানে তিনি জানিয়েছেন, এই ওষুধ ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্ক হতে হবে । চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া আইভারমেকটিন খাওয়ার বিরুদ্ধে হু।
সৌম্যা স্বামীনাথন আরও জানিয়েছেন, "কোনও নতুন ওষুধের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা ও কার্যকরিতা গুরুত্বপূর্ণ। ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল ছাড়া আইভারমেক্টিন প্রয়োগে সায় নেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার।"
একই কথা জার্মান স্বাস্থ্য ও বিজ্ঞান সংস্থা মার্কেরও। বিবৃতি দিয়ে তারা জানিয়েছে, করোনা চিকিৎসায় আইভারমেক্টিনের সুফলের কোনও ক্লিনিক্যাল প্রমাণ নেই। কার্যকরিতার ক্ষেত্রের কোনও নির্দিষ্ট প্রমাণ নেই। এমনটাই দাবি বিজ্ঞান সংস্থা মার্কের।
বিষয়টি নিয়ে বেশ গুরুত্ব দিচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সগস্থা। বিজ্ঞানী সৌম্য স্বামীনাথনও মার্কের ওই বিবৃতি পোস্ট করেছেন।
এর আগেই আইভারমেক্টিন নিয়েও আশঙ্কার কথা শুনিয়েছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। এর আগেই হু জানিয়েছিল, এই ওষুধের প্রভাব সম্পর্কে অত্যন্ত কম প্রমাণ রয়েছে। আর এই ওষুধ খাওয়ার পর যে করোনা সেরে গিয়েছে এমন প্রমাণও পাওয়া যায়নি। ফলে এই ওষুধ খাওয়ার আগে সবাইকে সাবধান হওয়ার কথা বলছেন বিজ্ঞানীরা।
অম্যদিকে, সোমবারই আইভারমেক্টিনকে করোনা চিকিৎসায় ব্যবহার করার অনুমতি দেয় গোয়ার সরকার। সে রাজ্যের সরকার ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে প্রত্যেককে আইভারমেক্টিন ওষুধ প্রয়োগের পরামর্শ দেওয়া হয়। এই ওষুধের ৫টি ট্যাবলেট খাওয়ার পরামর্শ দেয় গোয়ার স্বাস্থ্য দফতর।
যা নিয়ে চরম বিতর্ক তৈরি হয়। যদিও এই নির্দেশের পরেই হু এর তরফে বলা হয়েছে যে, শুধু শুধু এই ওষুধ খাওয়া ঠিক নয়। ফলে এই বিষয়ে সতর্ক হওয়ার পরামর্শ হুয়ের।
অন্যদিকে গত সপ্তাহে একটি গবেষণায় দাবি করা হয়, আইভারমেকটিন করোনার ভাইরাসের প্রকোপ একেবারে কমিয়ে দিতে পারে ।
বিশেষত করোনার সংক্রমণ এবং শ্বাসকষ্টের সমস্যা প্রতিহত করতে পারে এই ওষুধ । ওই রিসার্চ টিমে আছেন মার্কিন সরকারের বিশিষ্ট বিজ্ঞানীও। এটি প্রকাশিত হয়েছে American Journal of Therapeutics এ।
অন্যদিকে সৌম্যা স্বামীনাথন আবার অন্য একটি গবেষণা পত্র তুলে ধরে আইভারমেকটিন ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।












Click it and Unblock the Notifications