সুস্থ হওয়া করোনা রোগীরা কি ফের ওমিক্রনে আক্রান্ত হতে পারেন, কী বলছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা
ওমিক্রনের (Omicron) জেরে সারা বিশ্বে ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা। বলা হচ্ছে সুনামির মতোই আছড়ে পড়ছে ওমিক্রন। পশ্চিমবঙ্গের গত দুসপ্তাহের করোনা (Coronavirus) আক্রান্তদের (patient) জিনোমে সিকোয়েন্সিং রিপোর্টে দেখা গিয়েছে, ৭০
ওমিক্রনের (Omicron) জেরে সারা বিশ্বে ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা। বলা হচ্ছে সুনামির মতোই আছড়ে পড়ছে ওমিক্রন। পশ্চিমবঙ্গের গত দুসপ্তাহের করোনা (Coronavirus) আক্রান্তদের (patient) জিনোমে সিকোয়েন্সিং রিপোর্টে দেখা গিয়েছে, ৭০ শতাংশই ওমিক্রন। বাকি ডেল্টা কিংবা ডেল্টা প্লাস। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলছেন আগামী সপ্তাহ দুয়েকের মধ্যে ওমিক্রনই অন্যদের সরিয়ে জায়গা করে নিতে চলেছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে ওমিক্রনের জেরে হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা কম হলেও, এব্যাপারে শিথিলতা বিপদ ডেকে আনতে পারে বলে সতর্ক করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (who)।

ওমিক্রন কি ফের আক্রান্ত করতে পারে
আগে করোনা আক্রান্ত হলেো সুস্থ হয়ে ওঠারা কি ফের ওমিক্রনে আক্রান্ত হতে পারেন, সেই প্রশ্নই বারবার উঠছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে বলা হচ্ছে, আগের আক্রান্তদের নতুন করে ওমিক্রনে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা খুবই বেশি, এর ক্রমাগত মিউটেশনের ফলে।

বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার বিবৃতি
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে বিবৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, আগেকার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে ভেদ করতে পারে। সেক্ষেত্রে আগে যাঁরা করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন, তাঁরা ফের আক্রান্ত হতে পারেন। এছাড়াও যাঁরা এখনও ভ্যাকসিন নেননি কিংবা পাননি, তাঁদের ক্ষেত্রেও মারাত্মক হয়ে উঠতে পারে ওমিক্রন। এছাড়াও যাঁরা বেশ কয়েকমাস আগে ভ্যাকসিন নিয়েছেন, তাঁরা আক্রান্ত হতে পারেন বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
গতমাসেই ডব্লু এইচও-র তরফে জানানো হয়েছিল, যাঁরা আগে করোনা থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছেন, তাঁরা ডেল্টার তুলনায় ওমিক্রনে আক্রান্ত হতে পারেন ৩ থেকে ৫ গুন বেশি। যদিও একইসঙ্গে বলা হয়েছিল, ওমিক্রন ডেল্টার থেকে বেশি ক্ষতিকারক হয়ে উঠতে পারে, সেরকম কোনও প্রমাণ এখনও পাওয়া যায়নি। ডেল্টার কারণেই গতবছর দ্বিতীয় ঢেউ তৈরি হয়েছিল।

কারা আক্রান্ত হচ্ছেন
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা আরও জানিয়েছে, এই ভাইরাস ২০ থেকে ৩০ বছর বয়সীদের মধ্যে বেশি সংক্রমিত হচ্ছে। প্রথমেই বড় শহরগুলিতে ছড়িয়েছে। সামাজিক এবং কর্মক্ষেত্রে সমবেত জনগণের মধ্যেই মূলত ছড়িয়ে পড়েছে কিংবা পড়ছে।
তবে কোনও কোনও গবেষণায় বলা হচ্ছে, সমাজের একটা বড় অংশের জনগণের টিকাকরণ হয়ে যাওয়ায় তাঁদের মধ্যে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয়েছে। এছাড়াও একের পর এক মিউটেশন আগের থেকে ক্ষতিকারক ক্ষমতা হারিয়েছে। দক্ষিণ আফ্রিকা-সহ অন্য দেশগুলিতে ওমিক্রন নিয়ে বর্তমান গবেষণার ওপরেই এই মন্তব্য উঠে এসেছে।

ফুসফুসে সংক্রমণ হচ্ছে না
ওমিক্রনের সংক্রমণ ক্ষমতা বেশি থাকলেও, এর ক্ষতিকারক প্রভাব এখনও পর্যন্ত কম। এমনটাই বলছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা। এটা আগের মতো ফুসফুসকে আক্রমণ করছে না। এই ধরনের একটি গবেষণা ইতিমধ্যে প্রকাশ করেছেন জাপান এবং আমেরিকার গবেষকরা। তাঁরা ইঁদুর এবং হ্যামস্টারের ওপরে পরীক্ষা চালিয়েছিলেন। বেলজিয়ামে হ্যামস্টারের ওপরে করা গবেষণায় এমনই প্রমাণ উঠে এসেছে বলেও জানানো হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications