ভারতে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের কারণ ধর্মীয় ও রাজনৈতিক জমায়েত, বিস্ফোরক রিপোর্ট বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার
ভারতে বর্তমান করোনা পরিস্থিতি কি সঠিকভাবে পর্যালোচনা করতে পারেনি মোদী (narendra modi) সরকার, প্রশ্ন তুলে দিল বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার (who) রিপোর্ট। সংক্রমণ বৃদ্ধির সম্ভাব্য কারণ সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে বিশ্বস্বাস
ভারতে বর্তমান করোনা পরিস্থিতি কি সঠিকভাবে পর্যালোচনা করতে পারেনি মোদী (narendra modi) সরকার, প্রশ্ন তুলে দিল বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার (who) রিপোর্ট। সংক্রমণ বৃদ্ধির সম্ভাব্য কারণ সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা বলেছেন, একাধিক ধর্মীয় (religious) এবং রাজনৈতিক (political) জমায়েত থেকেই করোনার সামাজিক সংমিশ্রণ হয়েছে।

বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্ট
বুধবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রকাশিত রিপোর্টে বলা হয়েছে, B.1.617 ভাইরাস ভারতে প্রথম পাওয়া গিয়েছিল ২০২০-র অক্টোবরে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, ভারত জুড়ে সংক্রমণ এবং মৃত্যুর সংখ্যা বৃদ্ধিতে B.1.617 এবং ভাইরাসের অন্য রূপগুলি (যেমন B.1.1.7) সম্ভাব্য ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
এপ্রিলের শেষের দিকে দেখা গিয়েছে B.1.617.1 এবং B.1.617.2 রূপগুলির কারণে যথাক্রমে ২১% ও ৭% বৃদ্ধি হয়েছে। এই দুই রূপের বৃদ্ধির হারও খুব বেশি।

কারণ খুঁজেছে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা
ভারতের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে কারণ খুঁজতে শুরু করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। এর মধ্যে ভাইরাসের বিভিন্ন রূপের সংক্রামক ক্ষমতা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ের মধ্যে একাধিক ধর্মীয় এবং রাজনৈতিক সমাবেশ হয়েছে। যেখানে বহু মানুষ একসঙ্গে সমবেত হয়েছেন। সামাজিক সংমিশ্রণ হয়েছে। তবে সঠিক কোন কারণে সংক্রমণ বৃদ্ধি হয়েছে, তার নিশ্চিত করে উঠতে পারেনি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

ছড়িয়েছে দেশের বাইরেও
বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্টে বলা হয়েছে ভারতের বাইরে B.1.617 ভ্যারিয়েন্ট সব থেকে বেশি সংখ্যায় পাওয়া গিয়েছে ব্রিটেনে। আর বর্তমানে B.1.617.2 চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

কমছে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা
তবে বিশ্বব্যাপী আশার কথাও শুনিয়েছে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা। তাদের রিপোর্টে বলা হয়েছে, নতুন করে করোনা আক্রান্ত এবং মৃত্যুর সংখ্যা গত সপ্তাহে কিছুটা কমেছে। তবে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় যা আক্রান্ত ও মৃত্যু হয়েছে, তার মধ্যে ভারতে আক্রান্ত হয়েছেন ৯৫% এবং মৃত্যুর সংখ্যা ৯৩%। অন্যদিকে বিশ্বের নিরিথে ভারতে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা যথাক্রমে ৫০% এবং ৩০%।
বর্তমান সময়ে ভারত ছাড়াও যেসব দেশে বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন, সেগুলি হল ব্রাজিল, আমেরিকা, তুর্কি, আর্জেন্টিনা।












Click it and Unblock the Notifications