Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

'কে বলেছে আমাদের মুখপাত্র হতে?' মোদীকে তিরস্কার করায় শাহি ইমামের উপর ক্ষুব্ধ মুসলিমরা

'কে বলেছে আমাদের মুখপাত্র হতে?' মোদীকে তিরস্কার করায় শাহি ইমামের উপর ক্ষুব্ধ মুসলিমরা
নয়াদিল্লি, ৩ নভেম্বর : ছেলের অভিষেকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে ব্রাত্য রেখে পাক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফকে নিমন্ত্রণ জানিয়েছেন শাহি ইমাম সৈয়দ আহমেদ বুখারি। নিজের সিদ্ধান্তের পক্ষে জানিয়েছিলেন নকেন্দ্র মোদী মুসলিম সম্প্রদায়কে দূরে সরিয়ে দিয়েছেন, তিনি নরেন্দ্র মোদীকে পছন্দ করেন না। তাই ছেলের অভিষেকে আমন্ত্রণ জানানোর প্রশ্নই ওঠে না। আর বুখারির এহেন বিতর্কিত মন্তব্যে বেজায় চটেছে মুসলিম সম্প্রদায়।

লক্ষ লক্ষ ভারতীয় মুসলিমদের কথায়, বুখারি নরেন্দ্র মোদীকে পছন্দ করেন কি করেন না, তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানাবেন কি জানাবেন না তা সম্পূর্ণ তাঁর ব্যক্তিগত পছন্দ। কিন্তু মুসলিম সম্প্রদায় ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে পছন্দ করে না এবং মোদীও মুসলিমদের পছন্দ করেন না এই মন্তব্য করার অধিকারি শাহি ইমামকে কে দিয়েছেন বলে প্রশ্ন তুলেছেন মুসলিম সম্প্রদায়ের একাংশ। সম্প্রদায়ের মুখপাত্র হয়ে নিজের মন্তব্য রটানোর এক্তিয়ার শাহী ইমামকে কে দিয়েছেন বলেও প্রশ্ন তোলা হয়েছে।

এই ঘটনায় ভাইয়ের বিরুদ্ধেই মুখ খুলেছেন ইয়াহিয়া বুখারি। তিনি বলেন, "দেশের মুসলিম সম্প্রদায় দ্বারা উপেক্ষিত হয়ে এখন মিডিয়ার নজর আকৃষ্ট করে নিজের জায়গা ফিরে পেতে চাইছেন শাহি ইমাম। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে আমন্ত্রণ না জানিয়ে এখন তিনি মুসলিম সম্প্রদায়ের মুশকিল আসান হতে চাইছেন? কিন্তু ওঁকে বুঝতে হবে তিনি মুসলিমদের বোকা বানাতে পারবেন না। তার ডাক শুনে যখন ভারতীয় মুসলিম সম্প্রদায় কংগ্রেসের পক্ষে লোকসভা ভোটে মতদান করেনি, তখনই তাঁর এই বিষয়টি বোঝা উচিত ছিল।"

"পাক প্রধানমন্ত্রী বেশি আপন হলে পাকিস্তানেই অনুষ্ঠান করতে পারতেন শাহি ইমাম"

একইসঙ্গে ইয়াহিয়া বুখারি আরও বলেন, "তিনি (শাহি ইমাম) যদি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীকে এত পছন্দ করেন এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে অপছন্দ করেন, তাহলে ছেলের অভিষেক অনুষ্ঠান পাকিস্তানে গিয়েই তাঁর করা উচিত।

অন্যদিকে, দিল্লি সংখ্যালঘু কমিশনের চেয়ারম্যান কমল ফারুকি যিনি অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ডেরও সদস্য জানিয়েছেন, এই ধরণের সিদ্ধান্ত ভাল রুচির উদাহরণ কখনওই নয়। যদি তিনি ছেলে বা মেয়ের বিয়েতে আমন্ত্রণ জানাতেন তাহলে তা তাঁর ব্যক্তিগত বিষয় হতো। কিন্তু এই অনুষ্ঠান সম্পূর্ণরূপে রাজনৈতিক ও অ-ইসলামিক কারণ, ইমামত কখনও বংশ পরম্পরায় চলতে পারে না। আর যদিও এমন অনুষ্ঠানে অন্য দেশের রাজনৈতিক নেতাদের বিশেষ করে পাক প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়, তাহলে ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে অবশ্যই আমন্ত্রণ জানানো উচিত। যদি কেই ভারতে থেকে ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ না জানান, তাহলে পাক প্রধানমন্ত্রীকেও আমন্ত্রণ জানানো কখনওই উচিত নয়।

আরও পড়ুন : পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী কাঙ্ক্ষিত, মোদী ব্রাত্য, শাহি ইমামের সিদ্ধান্তে বিতর্ক

এর পাশাপাশি নিজের ক্ষোভ উগড় ফারুকি বলেন, মুসলিমরা খুশি নয় বলে তিনি নরেন্দ্র মোদীকে আমন্ত্রণ জানাবেন না, তারঁ (বুখারি) এই মন্তব্য আপত্তিকর। তিনি বৃহত্তর মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব করেন না। আর তাই সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে কোনও কথা বলার কে উনি? তাঁর দাবি অনুযায়ী, যদি সত্যিই তাঁর সঙ্গে শরিফের সম্পর্ক ভাল হয়, তাহলেও সীমান্তে যে উত্তেজনা রয়েছে সে কথা মাথায় রেখেই পাক প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ করা উচিত নয়।

মুসলিম সম্প্রদায়ের একাংশের মতে, "বুখারি আসলে কুটনীতির পথে হাঁটছেন, নওয়াজ শরিফকে আমন্ত্রণ জানিয়ে এবং নরেন্দ্র মোদীকে ব্রাত্য রেখে আসলে তিনি এই বার্তাই দিতে চাইছেন যে ভারতের মুসলিম সম্প্রদায় পাকিস্তানের সঙ্গেই রয়েছে। যা আদতে মিথ্যা।"

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+