চলতি সপ্তাহেই মিলতে পারে হু-র অনুমোদন, কোভ্যাক্সিনের জন্য খুলছে নতুন রফতানির রাস্তা
চলতি সপ্তাহেই মিলতে পারে হু-র অনুমোদন, কোভ্যাক্সিনের জন্য খুলছে নতুন রফতানির রাস্তা
টানাপোড়েন চলছিল দীর্ঘদিন থেকেই। ভারতে স্বীকৃতি মিললেও স্বীকৃতি মেলেনি আন্তর্জাতিক স্তরে। যার ফলে ভারত বায়োটেকের কোভ্যাক্সিন (Covaxin) নিয়ে বারবারে সমস্যায় পড়তে হচ্ছিল প্রবাসী ভারতীয়দের। এমনকী জরুরি প্রয়োজনে অন্যান্য দেশে রফতানিও করা যাচ্ছিল না এই ভ্যাকসিন। অবশেষে এই ভ্যাকসিনকে বৈধতা দিতে চলেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা হু (Who s approval)। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী চলতি সপ্তাহেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (World Health Organization) অনুমোদন পেয়ে যেতে পারে কোভ্যাক্সিন।

চলতি সপ্তাহেই বৈধতা ?
এদিকে ভারতে টিকাকরণের শুরু থেকেই কোভ্যাক্সিন নিয়ে বাড়তে থাকে উদ্বেগ। তৃতীয় পর্বের ট্রায়াল শেষ না হওয়ার পরেও শুরুতে জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োগের অনুমতি পায় ভারত বায়োটেক। এমনকী এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নিয়েও আতঙ্ক বাড়তে থাকে সাধারণ মানুষের মনে। যদিও পরবর্তীতে সেই ভয় দূর হলেও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বৈধতা পায়নি এই টিকা।

১০টিরও কম দেশে বৈধতা কোভ্যাক্সিনের
সমস্ত পরীক্ষা নিরীক্ষায় এই ভ্যাকসিন সফল ভাবে উত্তীর্ণ হলেও বেশিরভাগই দেশই এখনও কোভ্যাক্সিনকে অনুমোদন দেয়নি। ফলস্বরূপ ভারত ছেড়ে বিদেশে পাড়ি জমাতে গেলে কোভিশিল্ড নেওয়া বাধ্যতামূলক হয়ে পড়েছে। সূত্রের খবর, বর্তমানে ১০টিরও কম দেশ কোভ্যাক্সিনকে বৈধতা দিয়েছে। সিহংভাগ দেশের পছন্দ তালিতকায় এখনও শীর্ষে কোভিশিল্ড। আর সেখানেই বেড়েছে উদ্বেগ। এদিকে এবার হু কোভ্যাক্সিনকে বৈধতা দিয়ে দিলে কোভ্যাক্সিন রফতানি করতে পারবে ভারত বায়োটেক।

আম-আদমির ভরসা কোভিশিল্ডেই
একই সঙ্গে বৈধতা মেলার পরেই কোভ্যাক্সিন প্রাপকদের বিদেশ যাত্রাও সহজ হবে। যদিও দেশের অভ্যন্তরে কোভ্যাক্সিনকে নিয়ে কোনও বাধ্যবাধকতা না থাকলেও কোভিশিল্ডেই ভরসা করছেন বেশিরভাগ ভারতীয়। সিরামের স্বচ্ছ ভাবমূর্তি সঙ্গে ইংল্যান্ডে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ট্রায়াল দুইয়ে মিলিয়ে ভারতীয়দের কাছে এখনও সবথেকে বেশি নির্ভরযোগ্য কোভিশিল্ডই। এমনকী এখনও পর্যন্ত দেশে ৭৫ কোটি বেশি টিকা ডোজ দেওয়া হয়েছে। যার ৮০ শতাংশই কোভ্যাক্সিন।

কোভিশিল্ডের প্রায় দ্বিগুণ দাম কোভ্যাক্সিনের
এদিকে কোভিশিল্ডে সর্বাধিক ভরসা থাকলেও তা সম্পূর্ণভাবে ভারতের তৈরি নয়। অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকার ফর্মুলায় সিরাম ইনস্টিটিউট বানিয়েছে এই টিকা। সেখানে কোভ্যাক্সিন ভারতের গবেষণাগারে তৈরি করেছেন ভারতীয় বিজ্ঞানীরাই। এমনকী দামেও কোভিশিল্ডের প্রায় দ্বিগুণ কোভ্যাক্সিন। মূলত বিদেশে রফতানি না করতে পারার কারণেই এই প্রস্তুতি খরচ অনেকটা বেড়ে যাচ্ছিল। এ সপ্তাহের শেষে কোভ্যাক্সিন হু-র অনুমোদন পেলে এই ধরনের সমস্যা মিটবে বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।












Click it and Unblock the Notifications