ED Raid: কে এই প্রোমোটার, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে কীসের যোগ রয়েছে তাঁর? কেন ইডির নজরে রাজীব?

পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে এই প্রমোটারের নাকি ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল। সেকারণে একাধিকবার তাঁকে তলব করা হয়েছিল। এমনকী ইডি জেরাও করেছে তাকে। সূত্রের খবর বিপুল পরিমান কালো টাকা নাকি রাজীব দে তাঁর প্রমোটিংয়ের কাজে ব্যবহার করেছিলেন। সেই টাকা গুলি নিয়োগ দুর্নীতির কিনা তা নিয়ে তদন্ত করছে ইডি।

রাজীব দের সঙ্গে নাকি পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল। ইম্প্রোলাইন কনসট্রাকশন নামে একটি প্রমোটিং সংস্থার ডিরেক্টর রাজীব দে। এই কোম্পানির ডিরেক্টর পদে নাকি ছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের প্রয়াত স্ত্রীও। ২০২০ সালে স্ত্রীর মৃত্যুর পর তাঁর জামাই এই কোম্পানির সঙ্গে যুক্ত হন। সূত্রের খবর রাজীব এই প্রভাবশালী তকমা খাটিয়ে বিপুল আর্থিক বিনিয়োগ করেছিলেন তাঁর কোম্পানিতে। কয়েক বছরের মধ্যে ফুলে ফেঁপে উঠেছিল তাঁর ব্যবসা।
জানা গিয়েছে পার্থ চট্টোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ দুই কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্ত এবং পার্থ সরকারকে জেরা করে এই তথ্য হাতে পেয়েছেন তদন্তকারীরা। তারপরেই রাজীব দের বাড়িতে হানা দেয় ইডি। শান্তিনিকেতনে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের যে বাড়িিট রয়েছে সেটির দেখাশোনা করতেন এই রাজীব দে। এমনকী নিজেকে প্রায় প্রাক্তন মন্ত্রীর ভাগ্নে বলে পরিচয় দিতেন তিনি। শান্তিনিকেতনে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতেও একাধিকবার গিয়েছিলেন তিনি।
শান্তিনিকেতনে পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের অপা নামে বিশাল একটি বাংলো বাড়ির হদিশ মিলেছে। শুধু পার্থ চট্টোপাধ্যায় নন শান্তিনিকেতনে বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকেরও বাড়ির হদিশ পেয়েছে ইডি। দুর্নীতির কালো টাকা দিয়ে সেই বাড়ি কেনা হয়েছিল বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা। সেকারণেই এই প্রমোটারের বাড়িতে এবং অফিসে তল্লাশি শুরু করেছে ইডি। কোথা থেকে তিনি এই বিপুল পরিমাণ অর্থ লগ্নি করলেন। সেই টাকার উৎস কী তা জানতেই কোমর কষেছে ইডি।












Click it and Unblock the Notifications