পূর্বে রসগোল্লার লড়াইয়ের পর দক্ষিণে মাইসোর পাকের দখল নিয়ে কুস্তি কর্ণাটক-তামিলনাড়ুর মধ্যে
কর্ণাটক ও তামিলনাড়ুর মধ্যে লড়াই শুরু হয়েছে মাইসোর পাক নিয়ে।
রসগোল্লার জিআই বা জিওগ্রাফিক্যাল আইডেন্টিফিকেশন কোন রাজ্যের দখলে যাবে তা নিয়ে বাংলা ও ওড়িশার মধ্যে বহুদিন ধরে লড়াই চলেছে। অবশেষে দু'দিন আগে জয় হয়েছে বাংলার। এখানকার রসগোল্লা পেয়েছে জিআই স্বীকৃতি। এবার সেই একই লড়াইয়ে নেমেছে দক্ষিণের দুই রাজ্য।

কর্ণাটক ও তামিলনাড়ুর মধ্যে লড়াই শুরু হয়েছে মাইসোর পাক নিয়ে। স্যোশাল মিডিয়ায় তামিল ও কন্নড়রা বিবাদে মেতেছেন মাইসোর পাক কাদের দখলে থাকবে তা নিয়ে। কারা এই প্রাচীন মিষ্টি বানিয়েছে, তা নিয়ে লড়াই শুরু হয়ে গিয়েছে।
ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায় ১৮৩৫ সালে ব্রিটিশ আধিকারিক লর্ড ম্যাকৌলে ভারতীয় সংসদে এই মিষ্টির প্রসঙ্গ উত্থাপন করেন। সেখানে তিনি বলেন, আমার এক বন্ধু জানিয়েছে, মাইসোর পাক মাদ্রাজীরা আবিষ্কার করেছে। বহুবছর ধরে মাদ্রাজে (মানে বর্তমান তামিলনাড়ু) এই মিষ্টি তৈরি হচ্ছে। তবে ৭৪ বছর আগে (১৮৩৫ সালের) কেউ একজন এর রেসিপি চুরি করে মাইসোরের মহারাজাকে তা দিয়ে দেন। তারপরে এর নাম রাখা হয় মাইসোর পাক।


১৮৩৫ সালের ২ ফেব্রুয়ারি সংসদে দাঁড়িয়ে এই বক্তৃতা করেন তিনি। যার উপরে ভিত্তি করেই তামিলরা মাইসোর পাকের মালিকানা দাবি করছে। যদিও কন্নড়দের দাবি, মাইসোরের রাজা কৃষ্ণ রাজা ওয়াদেয়ারের রান্নাঘরেই এই মিষ্টি প্রথম তৈরি হয়। এখন দেখার এই মিষ্টির লড়াইয়ে কোন রাজ্য জেতে।
প্রসঙ্গত, বেসন, ঘি ও চিনি দিয়ে তৈরি অত্যন্ত সুস্বাদু মিষ্টান্ন হল মাইসোর পাক। দক্ষিণ ভারতের অন্যতম সেরা মিষ্টি এটি।












Click it and Unblock the Notifications