কোন পথে ঢুকেছিল জম্মুর ঘাতক ড্রোন? হাত রয়েছে পাক সেনার? এনআইএ-র তদন্তে চাঞ্ল্যকর তথ্য
কোন পথে ভারতে ঢুকেছিল জম্মুর ঘাতক ড্রোন? হাত রয়েছে পাক সেনার?
জুম্মুর বিমানঘাঁটিতে ড্রোন হানার পিছনে এবার ধীরে ধীরে তদন্তের জাল গোটাতে শুরু করেছে এনআইএ। সামনে এসেছে একাধিক পাক মদতপুষ্ট জঙ্গি গোষ্ঠীর চক্রান্তের তত্ত্বও। অন্যদিকে প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ানই বর্তমানে এনআই-র তদন্ত প্রক্রিয়ায় নতুন করে গতি এনেছে বলে দাবি ওয়াকিবহাল মহলের। সেই মতো দুটি ড্রোনের রুট বুঝে বাকি অনুসন্ধান প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যেতে চাইছেন গোয়েন্দারা।

নেপথ্য কী রহস্য ?
প্রসঙ্গত উল্লেথ্য, গত শনিবার গভীর রাতে ৫ মিনিটের ব্যবধানে জম্মু এয়ারফোর্স স্টেশনে জোড়া বিস্ফোরণের খবর শোনা যায়। কেঁপে ওঠে বিমানবন্দরের টেকনিক্যাল এরিয়া। এই বিস্ফোরণের পিছনে মদতপুষ্ট জঙ্গি গোষ্ঠী লস্কর-ই-তৈবার হাত রয়েছে বলে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন জম্মু ও কাশ্মীরের ডাইরেক্টর জেনারেল অফ পুলিশ দিলবাগ সিং। পুলিশের সঙ্গেই একযোগে সমান্তরাল তদন্ত চালাচ্ছে এনআইএ-ও।

কোন পথে হামলার চক্রান্ত ?
তদন্তকারীদের অনুমান হামলাকারীরা ভারত-পাকিস্তান সীমান্তের দিক থেকেই প্রথম আঘাতের পরিকল্পনা করে। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে বিমানবন্দর কমপ্লেক্সে ঢোকার আগে বাবা বুধন আলী শাহের মাজারের উত্তর দিক থেকে উড়ে আসতে দেখা গিয়েছিল ড্রোন দুটিকে। গোয়্ন্দাদের অনুমান একপ্রান্ত থেকে যাত্রা শুরু করলেও পরবর্তীতে গতিপথ পরিবর্তন করে ১৮০º মোড় নেয় ড্রোন দুটি। খুব সম্ভবত পুলিশের চোখে ধুলো দিতেই এই কাজ করা হয়ে থাকতে পারে।

ফরেনসিক রিপোর্টে চাঞ্চল্যকর তথ্য
প্রাথমিক তদন্তে গোয়েন্দাদের আরও অনুমান ড্রোনগুলি সম্ভবত ভারত-পাক সীমান্তের কাছে তাভি নদীর উপর দিয়ে উড়েছিল। বা ওথানের কাছেপিঠের কোনও এলাকা থেকেই ওড়ানো হয়েছিল দুই নয়া প্রজন্মের ঘাতককে। যদিও এই বিষয়ে এখনও বিশদ তদন্তের প্রয়োজন রয়েছে বলে মত ওয়াকিবহাল মহলের। এদিকে অকুস্থল থেকে উদ্ধার করা বিস্ফোরক গুলির ফরেনসিক রিপোর্ট বিশ্লেষণ করে উঠে আসছে আরও একাদিক চমকপ্রদ তথ্য।

হাত রয়েছে পাক সেনার ?
ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন হামলার জন্য ব্যবহৃত বিস্ফোরকটি আদপে আরডিএক্স। তবে এই ধরণের আরডিএক্স সাধারণত সেনার বিভিন্ন অপারেশনেই ব্যবহার করা হয়ে থাকে। আর সূত্রে ধরেই গোটা ঘটনার পিছনে পাক সেনার জড়িত থাকার সম্ভাবনাও একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। যদিও ২০১৭ সালের পর থেকে বিভিন্ন ইসলামী জঙ্গি সংগঠনে এই ধরণের বিস্ফোরক ব্যবহারের প্রবণতা অনেকটাই বাড়ে। এদিকে শনিবারের বিস্ফোরণের পর এথনও পর্যন্ত জম্মুর সেনঘাঁটিগুলির কাছে অন্তত ১০ বার একাধিক সন্দেহজনক ড্রোনের আনাগোনা দেখা গিয়েছে। তাতেই নতুন করে বাড়ছে উদ্বেগ?












Click it and Unblock the Notifications