মিলিয়ন প্লেট বিরিয়ানি রমজান মাসে অর্ডার দিল কোন রাজ্য?
আজ বৃহস্পতিবার খুশির ঈদ। রমজান মাস শেষ হল। এদিন সকাল থেকেই ঈদের খুশি ছড়িয়ে পড়েছে বিভিন্ন জায়গায়। আর ঈদের সঙ্গেও জড়িয়ে আছে খাওয়া দাওয়া৷ রোজা ভাঙার পরে হরেক রকমের খাবারের রসনা দেখা যায় এই সময়েই।
দেশ, শহরের কোণায় কোণায় বাড়িতে খাবার পৌঁছে দেয় সুইগি। এই ফুড ডেলিভারি সংস্থা তাক লাগিয়ে দেওয়ার মতো তথ্য দিয়েছে। তন্দুরী, কাবাব, ফিরনি হরেক রকমের খাবার তো আছেই। তবে এইসব কিছুর থেকে অনেকটাই দৌড়ে এগিয়ে থেকে প্রথম বিরিয়ানি।

রমজান মাসে বিরিয়ানির অর্ডার দেওয়ার মাত্রা ছিল সব থেকে বেশি। কোন শহর এই বিরিয়ানি অর্ডার করা ও খাওয়াতে এগিয়ে থাকল? ইফতার খাবারের মধ্যে বিরিয়ানি
কি মানুষের মধ্যে অন্যতম আকর্ষণের জায়গা?
চলতি বছর ১২ মার্চ থেকে ৮ এপ্রিল পর্যন্ত সুইগিতে দেওয়া অর্ডারের উপর সমীক্ষা চলে। সংস্থা নিজেই এই সমীক্ষা বিশ্লেষণ করে তথ্য সামনে এনেছে। এবারে আসা যাক, সেই সমীক্ষার কথায়। গোটা ভারত জুড়ে রমজান মাসে প্রায় ছয় মিলিয়ন মানে ৬০ লক্ষ বিরিয়ানির প্লেট অর্ডার করা হয়েছে। এই অর্ডার কেবল সুইগির মাধ্যমেই হয়েছিল।
তথ্য জানাচ্ছে, এই অর্ডার সাধারণের থেকে ১৫ শতাংশ বেশি। এবার প্রশ্ন হল কোন রাজ্য সব থেকে বেশি বিরিয়ানি অর্ডার করেছে? জানা গিয়েছে, সেখানে সবার উপরে আছে নিজামের দেশ। হায়দরাবাদে এক মিলিয়ন, অর্থাৎ ১০ লক্ষ বিরিয়ানি ইফতার মাসে অর্ডার হয়েছে। হামিলের চাহিদাও তুঙ্গে ছিল। ৫.৩ লক্ষ প্লেট হালিম অর্ডার হয়েছিল।
২০২৪ সালের রমজানে, সুইগি বিকেল সাড়ে পাঁচটা থেকে সন্ধে সাতটা পর্যন্ত (ইফতারের আনুমানিক সময়) সব থেকে বেশি অর্ডার পেয়েছে খাবারের। এবারে ৩৪ শতাংশ অর্ডার বৃদ্ধি পেয়েছে।
দেশব্যাপী, এই সময়ে সবচেয়ে বেশি অর্ডার করা খাবারের আইটেম ছিল চিকেন বিরিয়ানি, মাটন হালিম, সামোসা, ফালুদা এবং খির।
রমজানের সময়, সারা দেশে ঐতিহ্যবাহী খাবারের জন্য সুইগিতে অর্ডার দেওয়া উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে সব কিছুকেই ছাপিয়ে সবার উপরে সেই বিরিয়ানিই।
হালিমের জন্য ১৪৫৫ শতাংশ, ফিরনির জন্য ৮১ শতাংশ, মালপুয়ার জন্য ৭৯ শতাংশ অর্ডার বেড়েছে। মুম্বই, হায়দরাবাদ, কলকাতা, লখনউ, ভোপাল এবং মিরাটে ইফতার মিষ্টি খাবারের অর্ডার উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications