শিনা বোরার কঙ্কাল কোথায়, ট্রায়াল কোর্টের ইমেলে বড় আপডেট
শেষ পর্যন্ত শিনা বোরার কঙ্কালের খোঁজ পাওয়া গিয়েছে। প্রাথমিকভাবে রিপোর্ট করা হয়েছিল কঙ্কালগুলি পাওয়া যাচ্ছে না। তার কয়েক সপ্তাহ পরে বুধবার নয়াদিল্লির ট্রায়াল কোর্টকে জানানো হয়েছে, এই দেহাংশগুলি সিবিআই অফিসেই ছিল। প্রসঙ্গত, ২০১২ সালে ২৪ বছর বয়সী শিনা বোরাকে তাঁর মা ইন্দ্রাণী মুখার্জি-সহ অন্যরা খুন করে বলে অভিযোগ।
এব্যাপারে ট্রায়াল কোর্ট একটি ইমেল পায় বলে জানা গিয়েছে। সেখানে বলা হয়, শিনা বোরার কঙ্কাল হারিয়ে যায়নি। সেগুলি এক ফরেনসিক বিশেষজ্ঞের অধীনে ছিল। তিনিই সেই কঙ্কাল পরীক্ষার দায়িত্বে ছিলেন এবং এই মামলায় একজন সাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দিচ্ছেন।

বুধবার ট্রায়াল কোর্টের বিচারক নায়েক নিম্বালকার এই ইমেল সম্পর্কে জানিয়েছেন। ইমেল পর্যালোচনা করার পরে আসামীপক্ষের আইনজীবীরা অভিযোগের তদন্তের অনুরোধ করেছেন। বিচারক পরে এব্যাপারে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কাছে তাদের প্রতিক্রিয়া জানতে চান।
এর আগে শুনানির সময় গত ২৪ এপ্রিল আদালতকে জানানো হয়েছিল শিনা বোরার কঙ্কালগুলি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। ১০ জুনও জানানো হয় সেগুলি খুঁজে পাওয়া যয়নি। তবে পিটিআই জানিয়েছে, প্রসিকিউটর সিজে নান্দোদ জানিয়েছেন, কঙ্কালগুলি মালখানায় পড়ে আছে। তবে সিবিআই এই কঙ্কাল প্রমাণ হিসেবে বিবেচনা করেনি, কারণ সেগুলিকে চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়নি।
প্রাক্তন মিডিয়া এগজিকিউটিভ শিনা বোরা বর্তমানে জামিনে মুক্ত রয়েছেন। গত মাসে শিনা বোরার কঙ্কাল কোথায় তা জানা যায়নি। সেই সময় ইন্দ্রাণী মুখার্জি বলেছিলেন পুরো বিবরণটি একটি কল্পিত গল্প ছাড়া আর কিছুই নয়। তিনি আরও বলেছিলেন শিনা বোরার বাগদত্তা রাহুল মুখার্জিতে হত্যার মামলার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গ্রেফতার করা উচিত বলে জানিয়েছিলেন তিনি। তাঁর দাবি, তিনিই শেষ ব্যক্তি যিনি শিনা বোরাকে জীবিত দেখেছিলেন।
প্রসঙ্গত, ২০১৫ সালে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে। জানা যায়, তিন বছর আগে অর্থাৎ ২০১২ সালে ইন্দ্রাণী মুখার্জি প্রাক্তন স্বামী সঞ্জীব খান্না এবং ড্রাইভার শ্যাম রাইয়ের সহায়তায় শিনা বোরাকে গাড়িতে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। তারপর দেহটি রায়গড় জেলার একটি জঙ্গলে দাহ করা হয়।












Click it and Unblock the Notifications