কবে খুলবে দেশের সমস্ত স্কুল-কলেজ? বড় রায় সুপ্রিম কোর্টের
কবে খুলবে দেশের সমস্ত স্কুল-কলেজ? বড় রায় সুপ্রিম কোর্টের
করোনার দ্বিতীয় ঢেউ বিদায় নিলেও উৎসবের আবহে নতুন করে ভয় ধরাতে শুরু করেছে করোনা ভাইরাসের তৃতীয় ঢেউ। এদিকে পুজো মিটলেই বাংলায় স্কুল খোলার কথা ঘোষণা করেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। এদিকে করোনা মহামারি শুরুর পর থেকে গত প্রায় দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় সব দেশের সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই বন্ধ রয়েছে। কিন্তু করোনা ফাঁস আলগা হতেই এবার দেশের প্রায় প্রতিটা রাজ্যেই নতুন করে শুরু হয়েছে স্কুল-কলেজ খোলার তোড়জোর। আর এখানেই বেড়েছে উদ্বেগ।

বেঁধে দেওয়া যাবে না নির্দিষ্ট সময়
এদিকে স্কুল খোলার দাবিতে ইতিমধ্যেই একাধিক আবেদন জমা পড়ে সুপ্রিম কোর্টে। সোমবার এরকই এক মামলার শুনানিতে নতুন পর্যবেক্ষণ দিতে দেখা যায় শীর্ষ আদালতকে। বিচারপতিদের সাফ দাবি বর্তমানে যে সঙ্কট চলছে তা মাথায় রেখে তারা তারা কোনোভাবই কোনও রাজ্যকে অফলাইন মোডে পড়াশোনা পুনরায় চালু করার জন্য নির্দেশ দিতে পারে না। এমনকী এই কাজের জন্য কোনও নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দেওয়া সম্ভব নয় বলেও শীর্ষ আদালতের তরফে জানানো হয়েছে।

কী বলছেন প্রধান বিচারপতি
সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় স্পটতই বলছেন, "এই বিষয়ে এখনই আমরা সিদ্ধান্ত নিতে পারি না। পুনরায় স্কুল চালু বা অফলাইন মোডে শিক্ষাব্যবস্থা শুরু করার পক্ষে এখও অনেক পর্যালোচনা করার প্রয়োজন রয়েছে।" প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চের সাফ কথা, "আমরা সবেমাত্র দ্বিতীয় তরঙ্গ (কোভিড) থেকে বেরিয়ে এসেছি। আমরা জানি না পরবর্তী ঢেউ কবে কখন আসবে। উদ্বেগ রয়েছএ চারপাশে। এমতাবস্থায় শিশুদের ফের স্কুলে ফেরানোর সিদ্ধান্ত পুরোপুরি ভাবই স্বতন্ত্র পদ্ধতিতে রাজ্যগুলি নেবে।"

শিশু সংক্রমণের বিষয়েও বাড়চে উদ্বেগ
অন্যদিকে একাংশের গবেষকেরা বলছে কোভিডের তৃতীয় ঢেউ এলে সর্বাধিক ঝুঁকির মধ্যে পড়তে পারে শিশুরাই। যদিও একাংশের গবেষকেরা বলছেন এই বিষয়ে আরও বিশদ তথ্যের প্রয়োজন রয়েছে। তাই সম্ভাব্য সংক্রমণের সিদ্ধান্ত নিয়ে এখনই কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক হবে না। এমনটাই মত শীর্ষ আদালতের। যদিও স্কুল খোলার বিষয়ে আবেদনকারীর প্রতিনিধিত্বকারী আইনজীবীও এই প্রসঙ্গে একাধিক যুক্তি দিয়েছেন।

কী বলছেন আবেদনকারীর আইনজীবী
আবেদনকারীর আইনজীবীর মতে ইতিমধ্যেই শপিং মল এবং রেস্তোরাঁ খোলা হয়েছে। সেখানেও কিন্তু করোনা ঝুঁকি রয়েছে। এদিকে দিনের পর দিন স্কুল বন্ধের জেরে শিশুদের উপর মানসিক চাপ তৈরি হচ্ছে। এমনকী অনলাইনে পড়াশোনার ফলে পড়ছে সামগ্রিক মান। যদিও তার আবেদনে বিশেষ পাত্তা দিতে দেখা যায়নি শীর্ষ আদালতকে।












Click it and Unblock the Notifications