আছড়ে পড়ল ঘূর্ণিঝড় ফণী! দুর্যোগের মুহূর্তে কী করবেন আর কী করবেন না, জানুন একনজরে
গতিবেগ বাড়িয়ে উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ফণী। বলা হচ্ছে, মাটিতে আছড়ে পড়ার সময় ওড়িশায় ঘূর্ণিঝড়ের গতিবেগ হবে ঘণ্টায় ২০০ কিলোমিটার।
গতিবেগ বাড়িয়ে বাংলার দিকে প্রবল বেগে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ফণী। মাটিতে আছড়ে পড়ার সময় ওড়িশায় ঘূর্ণিঝড়ের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ২০০ কিলোমিটার। বাংলায় গতিবেগ হতে পারে ১১৫ কিলোমিটার। উপকূলবর্তী এলাকাগুলিতে চূড়ান্ত সতর্কতা জারি হয়েছে। পুরীর হোটেল থেকে সমস্ত পর্যটকদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এই অবস্থায় বাংলা হোক বা ওড়িশা, ঘূর্ণিঝড়ের সময় কী করবেন আর কী করবেন না, জেনে নিন একনজরে।

ঘূর্ণিঝড়ের আগে
গুজবে কান দেবেন না। ভয় পাবেন না, দুশ্চিন্তা করবেন না।
নিজের মোবাইল ফোন চার্জ দিয়ে রাখুন যাতে যোগাযোগ করতে পারেন। এসএমএসের ব্যবহার করুন।
রেডিও শুনুন, টিভি দেখুন। আবহাওয়ার সমস্ত আপডেট জানুন।
নিজের সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ নথি ওয়াটার প্রুফ কভারে ভরে ফেলুন।
এমার্জেন্সি কিট প্রস্তুত রাখুন। জরুরি জিনিস সব এক জায়গায় সুরক্ষিত রাখুন।

মৎস্যজীবীরা কী করবেন
রেডিও সেট ও ব্যাটারি তৈরি রাখুন।
বোট ও নৌকা ভালো করে নোঙর করে রাখুন।
কোনওভাবেই তিন-চার দিনের মধ্যে সমুদ্রে যাবেন না।

ঘূর্ণিঝড়ের সময় ও পরে
ঘরে থাকলে ইলেকট্রিক বন্ধ রাখুন ও গ্যাস বন্ধ রাখুন।
দরজা, জানালা বন্ধ রাখুন।
যদি মনে করেন আপনার বাড়ি ঝড়ের জন্য সুরক্ষিত নয়, ঘূর্ণিঝড়ের আগেই বাড়ি ছেড়ে সুরক্ষিত স্থানে চলে যান।
রেডিও ও ট্রানজিস্টার শুনে আপডেট থাকুন।
ফুটানো বা ক্লোরিন মেশানো জল খান।
গুজবে কান দেবেন না। সরকারি বার্তার জন্য অপেক্ষা করুন।

বাড়ির বাইরে থাকলে
কোনও ধসে যাওয়া বাড়ির ভিতরে ঢুকবেন না।
ভেঙে পড়া ইলেকট্রিক পোল, খোলা তার অথবা ধারাল বস্তু থেকে দূরে থাকুন।
একেবারে প্রয়োজন না থাকলে বাড়ির বাইরে বেরোবেন না।












Click it and Unblock the Notifications