কমিশনের ভোট নির্ঘণ্ট ঘোষণার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে প্রচার শুরু করে দিলেন নরেন্দ্র মোদী
পাল্লা দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার শুরু করে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
প্রচারে বিজেপি সবসময় এগিয়ে থাকে। আর প্রচারে নরেন্দ্র মোদীকে টেক্কা দেওয়ার মতো নেতা ভারতে খুব বেশি কেউ নেই। এদিন একদিকে ভোটের নির্ঘণ্ট যখন ঘোষণা হচ্ছে, তার পাশাপাশি পাল্লা দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার শুরু করে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। একদিকে কমিশনের ঘোষণা চলল, পাশাপাশি টুইটারে মোদী একদিকে যেমন দেশবাসী ও রাজনৈতিক দলগুলিকে শুভেচ্ছা জানালেন, তেমনই তাঁর সরকারের সাফল্যের খতিয়ান তুলে ধরলেন।
|
মোদী বলছেন, আমি দেশবাসীকে আহ্বান জানাচ্ছি যাতে ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে সাফল্যের সঙ্গে যোগদান করেন। আশা করছি এবারের নির্বাচনে ঐতিহাসিক ভোটদানের হার দেখা যাবে।
|
নির্বাচন কমিশনকে ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা। যাঁরা রাস্তায় নেমে কাজ করবেন, সারা দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনা করবেন, তাঁদের শুভেচ্ছা জানাই। ভারত নির্বাচন কমিশনকে নিয়ে গর্বিত। যেখানে বছরের পর বছর ধরে নির্বাচন অনুষ্ঠিত করছে তার তুলনা হয় না।
|
এরপরের টুইটেই রাজনৈতিক বক্তব্য রেখে মোদী লেখেন, ২০১৪ সালে সারা দেশ ইউপিএ-কে বাদ দিয়েছিল। ইউপিএ সরকারের দুর্নীতি, স্বজনপোষণ, নীতি পঙ্গুত্ব নিয়ে চূড়ান্ত রাগ ছিল। ভারতবর্ষের আত্মবিশ্বাস তলানিতে এসে ঠেকেছিল। দেশ এমন সরকার থেকে মুক্তি চেয়েছিল।
|
গত পাঁচ বছরে ১৩০ কোটি ভারতবাসীর আশীর্বাদ পেয়েছি আমরা। আগে সেটা সম্ভব ছিল না। তবে এখন তা সম্ভব। ২০১৯ সালের নির্বাচনে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গেই সকলে যোগদান করবেন বলে আশা প্রকাশ করেন নরেন্দ্র মোদী।
|
এরপরই নিজের সরকারের সাফল্যের খতিয়ান দিয়ে মোদী বলেন, ভারত এখন বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুতলয়ে বেড়ে চলা অর্থনীতির দেশ। সন্ত্রাসবাদ নিয়ে চরম পদক্ষেপ নিতে পারে। দেশে দ্রুতলয়ে দারিদ্র দূরীকরণ হচ্ছে। ভারত স্বচ্ছ হচ্ছে। দুর্নীতি মুক্ত করে দুর্নীতিবাজদের সাজা দিচ্ছে। সার্বিক উন্নতির দিকে এগোচ্ছে।
|
সবশেষে মোদী বলেন, সবকা সাথ, সবকা বিকাশের মাধ্যমে এনডিএ সরকার ফের একবার সকলের আশীর্বাদ চাইছে। গত পাঁচ বছরে মৌলিক প্রয়োজনকে মেটানোর চেষ্টা করেছে সরকার যা ৭০ বছর অধরা ছিল। এখন সময় এসেছে দেশকে সুরক্ষিত ও শক্তিশালীভাবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার।












Click it and Unblock the Notifications