Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

Ram Mandir: ২৫০ কোটি বছরের শি‌লায় নির্মিত রামলালার মূর্তি! কীভাবে শিল্পী ফুটিয়ে তুললেন বালক রামচন্দ্রকে?

সোমবার অযোধ্যায় রাম মন্দিরে প্রাণ প্রতিষ্ঠা হয়েছে রামলালার বিগ্রহের। ভগবান শ্রী রামচন্দ্রের বালক বয়সকেই এই বিগ্রহের মধ্যে তুলে ধরা হয়েছে। গর্ভগৃগে অধিষ্ঠিত এই মূর্তিটি তৈরি করেছেন কর্ণাটকের মহীশূর জেলার একজন বিখ্যাত ভাস্কর অরুণ যোগীরাজ। অযোধ্যার রাম মন্দিরে অভিষেক অনুষ্ঠানের জন্য রামলালার ২০০ কেজি মূর্তি তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন দক্ষিণী এই স্থপতিকার।

কৃষ্ণ শিলা পাথর থেকে তৈরি জটিলভাবে খোদাই করা এই বিগ্রহটি মৃদু হাসি দিয়ে পাঁচ বছর বয়সী বালক হিসাবে উপস্থাপিত করা হয়েছে। যা সকল ধর্মপ্রাণ হিন্দু মানুষের মন জিতে নিয়েছে, কিন্তু কীভাবে তৈরি হয়েছে জানেন এই সুন্দর রামচন্দ্রের বিগ্রহটি? সেই তথ্যই তুলে ধরা হল এই প্রতিবেদনে।

Ram Mandir

৫১ ইঞ্চির রামলালার মূর্তিটি তৈরি হয়েছে এক ধরনের বিশেষ কালো গ্রানাইট পাথর দিয়ে। কর্নাটক থেকে আনানো হয়েছিল এই পাথর। তবে এই পাথরের বিশেষত্বটি হল তার বয়স। জানা গিয়েছে ২.৫ বিলিয়ন বা ২৫০ কোটি বছর পুরনো এই গ্রানাইটের পাথরটি।রাম জন্মভূমি ট্রাস্টের অনুরোধে, বিখ্যাত স্থপতিকার কুশদীপ বনসাল প্রথমে এই শিলাটি পরিদর্শন করেছিলেন। তার অনুমোদন পাওয়ার পর, ন্যাশনাল রক ইনস্টিটিউটের বিশেষজ্ঞদের একটি দল এই শিলাটি্র রাসায়নিক গঠন পরীক্ষা করে।

রাজস্থানের সত্যনারায়ণ পান্ডে যেখানে রাম লালার একটি সাদা রঙের মূর্তি তৈরি করেছেন, মহীশূরের অরুণ যোগীরাজ এবং বেঙ্গালুরুর জি এল ভাট একটি কালো রঙের মূর্তি তৈরি করেছেন।শেষ পর্যন্ত রাম মন্দিরের ট্রাস্টি বোর্ড অরুণ যোগীরাজের মূর্তিটি চূড়ান্ত করেন গর্ভগৃহের জন্য।রাম মন্দিরের ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাই জানিয়েছেন, অরুণ যোগীরাজ, অন্যান্য দক্ষ কারিগরদের সাথে, তাঁর ভাস্কর্য দক্ষতার মাধ্যমে ভগবান রামের শৈশবকে দক্ষতার সাথে চিত্রিত করার দায়িত্ব অর্পণ করেছিলেন।

রামলালার পবিত্র মূর্তিটি কৃষ্ণ শিলায় তৈরির অন্যতম কারণ মানুষের চোখে যাতে বেশি করে আর্কষিত হয়।রাসায়নিক গঠনের কারণে, কৃষ্ণশিলা পাথর অ্যাসিড, তাপ এবং কঠোর আবহাওয়া প্রতিরোধী। দুধের সাথে মিশ্রনের সময়, পাথরটি অপ্রতিক্রিয়াশীল থাকে, যাতে ভক্তদের চরণামৃত স্বাস্থ্যকর থাকে।

কৃষ্ণ শিলা খনন করা হলে প্রাথমিকভাবে নরম এবং নমনীয়, পরে কৃষ্ণশীলা উল্লেখযোগ্যভাবে শক্ত হয়ে যায়। উল্লেখযোগ্যভাবে টেকসই, এই পাথর একটি স্ক্র্যাচ ছাড়া ১ হাজার বছর অনায়াসে টিকে যেতে পারে।।
ভৌগলিকভাবে, সর্বোচ্চ-মানের কৃষ্ণশিলা শুধুমাত্র বিশ্বব্যাপী নির্দিষ্ট স্থানে পাওয়া যায়, যেমন মহীশূরের কাছে এইচডি কোট এবং উত্তর কন্নড় জেলার কারকালা। এই বিরলতা মহীশূরকে ভাস্কর্য জগতের একটি কেন্দ্রীয় কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে। পাথরটি তার স্বতন্ত্র কালো রঙের কারণে এর নাম, কৃষ্ণ শিলা অর্জন করেছে।

অরুণ যোগীরাজের স্ত্রী বিজয়া জানিয়েছেন, 'এটা তাঁর হাতে জাদু। মূর্তিকে কেমন দেখতে হবে সে সম্পর্কে আমাদের ব্রিফ করা হয়েছিল।বাকি সবকিছুই তাঁর কল্পনা। তিনি বাচ্চাটির মুখের বৈশিষ্ট্য এবং অভিব্যক্তি পর্যবেক্ষণ করেছেন। তিনি এটিকে স্কেচ করতে শুরু করেছিলেন, প্রথমে একটি অনুরূপ মূতি তৈরি করেন। তারপরে মূল বিগ্রহ মূর্তিটি তৈরি করেন।'।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+