সোনিয়া গান্ধীর শিক্ষাগত যোগ্যতা কী, পাল্টা তোপ বিজেপি-র

স্মৃতি ইরানিকে মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এর জেরে জলঘোলা হয়েছে। তিনি দ্বাদশ শ্রেণী উত্তীর্ণ বলে দাবি কংগ্রেসের। নির্বাচন কমিশনকে দেওয়া হলফনামায় স্মৃতি ইরানি জানিয়েছিলেন, তিনি বি কম-পার্ট ওয়ান উত্তীর্ণ। এমন একজনকে মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের দায়িত্ব দেওয়ায় প্রশ্ন ওঠে। কারণ শিক্ষা দফতরের দায়িত্ব যিনি সামলাবেন, তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা এমন হলে কী করে চলবে! কংগ্রেসের অজয় মাকেন মন্তব্য করেন, "মোদীর ক্যাবিনেট কেমন? মানবসম্পদ উন্নয়নমন্ত্রী স্মৃতি ইরানি গ্র্যাজুয়েটও নন।"
বিজেপিপন্থী সাংবাদিক মধু কিশওয়ারও গতকাল স্মৃতি ইরানির শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক কোনও উচ্চ শিক্ষিত মানুষকে দেওয়া উচিত ছিল বলে তিনি মন্তব্য করেন।
এদিন বস্ত্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী সন্তোষকুমার গাঙ্গোয়ার বলেন, "কেন স্মৃতি ইরানিকে নিয়ে এত কথা হচ্ছে? সোনিয়া গান্ধীর শিক্ষাগত যোগ্যতা কী, আমি সেটা জানতে চাই।" একই সুর শোনা গিয়েছে মুখতার আব্বাস নাকভির গলায়। বিজেপি-র এই মুখপাত্র বলেন, "এখন এত ঔদ্ধত্য কংগ্রেস নেতাদের সাজে না। ওঁরা বরং আত্মসমীক্ষা করুক।"
আইনমন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ বলেছএন, "অজয় মাকেন যা বলেছেন, সেটা দুর্ভাগ্যজনক। স্মৃতি ইরানি সংসদে ইংরেজি এবং হিন্দিতে যেভাবে কথা বলেন, তাতে ওঁর নেতৃত্বের ক্ষমতা পরিষ্কারভাবে বোঝা যায়। এই ক্ষমতার জন্য়ই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ওঁকে এত বড় দায়িত্ব দিয়েছেন।"
এদিকে, গতকাল মধু কিশওয়ার স্মৃতি ইরানির সমালোচনা করলেও আজ আবার কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন। তিনি বলেছেন, "কংগ্রেস নেতাদের এ সব কথা বলার কোনও নৈতিক অধিকার নেই। কারণ সোনিয়া গান্ধী নিজে ক্লাস টেন-ও পাশ করেননি।" তিনি কংগ্রেসকে নিজেদের ভাঙা ঘর গোছানোর পরামর্শ দেন।












Click it and Unblock the Notifications