মণিপুরের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে কীভাবে? ব্যাখ্যা দিলেন চিফ ডিফেন্স স্টাফ
মণিপুরে অশান্তি কিছুতেই থামছে না। পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমসিম খেলে হচ্ছে প্রশাসনকে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ পর্যন্ত এই নিয়ে বার্তা দিয়েছেন। এরই মাঝে চিফ ডিফেন্স স্টাফ অনিল চৌহ্বান বার্তা দিয়েছেন যে কোনও ভাবেই এই পরিস্থিতি সহজে শান্ত হবে না।
রাজ্যের পরিস্থিিত গত এক মাস ধরে উত্তপ্ত হয়ে রয়েছে। কিছুতেই গত এক মাস ধরে অশান্তি থামছে না মণিপুরে। দুই আদিবাসী জনজাতির মধ্যে বিরোধের জেরে তুমুল এরাজকতা তৈরি হয়েছে রাজ্যে। পরিস্থিতি সামাল দিতে সেনা নামানো হয়েছে। সেনা বাহিনীর পক্ষ থেকে প্রথম থেকেই দাবি করা হয়েছিল যে মোবাইলে গুজব ছড়ানো হচ্ছে।

মণিপুরের একধিক জায়গায় দফায় দফায় কার্ফু জারি করা হয়েছে। ইম্ফল সহ একাধিক জায়গায় দফায় দফায় দুই আদিবাসী জনজাতির মধ্যে সংঘর্ষ তৈরি হয়েছে। বারবার সংঘাত বাড়ছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমসিম খেতে হচ্ছে পুলিশ প্রশাসনকে। সীমান্ত বর্তী রাজ্য মণিপুর। সেখানে আদিবাসী জনজাতির সংখ্যাই সব থেকে বেশি। সেকারণে পরিস্থিতি সামাল দিতে কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়তে হচ্ছে সেনাবাহিনীকে।
মণিপুরের পরিস্থিতি নিয়ে জেনারেল চৌহ্বান জানিয়েছেন, সেনাবাহিনী রাজ্য সরকারকে সবরকম সহযোগিতা করছে। একাধিক জায়গায় টহল দেওয়া হচ্ছে। চলছে পেট্রোলিং। রাজ্যপাল এবং মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দফায় দফায় পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠক করা হয়েছে। যে দুই জনজাতির মধ্যে বিরোধের জেরে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে সেই দুই জনজাতির প্রধানদের সঙ্গেও দফায় দফায় বৈঠক করছে সরকার এবং সেনাবাহিনীর প্রতিনিধি।

এদিকে গত একমাস ধরে অশান্তির জেরে মণিপুরে জিনিসের দাম আকাশ ছোঁয়া হয়ে গিয়েছে। রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডারের দাম বেড়ে হয়ে গিয়েছে ২০০০ টাকা। মুরগির মাংস ৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আলু-পেঁয়াজের দাম বেড়ে হয়ে গিয়েছে ৪০ টাকা কেজি। এই সংঘর্ষে এখনও পর্যন্ত মণিপুরে ৪০ জন মারা গিয়েছেন। একাধিক বাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। হাজার হাজার মানুষ ঘরছাড়া। কয়েক কোটি টাকার সম্পত্তি নষ্ট হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications