কংগ্রেসের দৃষ্টিভঙ্গি দুর্ভাগ্যজনক! দলত্যাগের চিঠি পশ্চিমবঙ্গের প্রথম রাজ্যপালের প্রপৌত্র সিআর কেশবনের
দিন কয়েক আগে একে অ্যান্টনির ছেলে অনিল অ্যান্টনি কংগ্রেস ছেড়েছিলেন। এবার কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খারগেকে চিঠি দিয়ে দলত্যাগের কথা জানিয়েছেন স্বাধীন ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেল সি রাজাগোপালাচারীর প্রপৌত্র।
কংগ্রেস ছাড়লেন স্বাধীনতা সংগ্রামে অংশ নেওয়া নামী পরিবারের এক সন্তান। এদিন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খারগেকে চিঠি দিয়ে কংগ্রেস ত্যাগ করার কথা জানিয়েছেন ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেল তথা পশ্চিমবঙ্গের প্রথম রাজ্যপাল চক্রবর্তী রাজা গোপালাচারীর প্রপৌত্র সিআর কেশবন। দুদশকের বেশি সময় ধরে নিষ্ঠার সঙ্গে দলের জন্য কাজ করলেন মূল্যবোঝের কোনও চিহ্ন তিনি দেখতে পাননি বলে চিঠিতে জানিয়েছেন তিনি।
|
কংগ্রেস সভাপতিকে চিঠি
কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খারগেকে দেওয়া পদত্যাগ পত্র সিআর কেশবন সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন। তার সঙ্গে দলের মত মিলছে না বলেও জানিয়েছেন তিনি। তবে কংগ্রেসের দায়িত্ব দেওয়ার জন্য তিনি সোনিয়া গান্ধীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

দুদশকের বেশি সময় কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত
দুদশকের বেশি সময় সিআর কেশবন কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত। এবিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, তিনি দুদশকের বেশি সময় ধরে দলের জন্য নিবেদিত প্রাণ কাজ করতে পেরেছেন। তবে মূল্যবোধের কোনও নিদর্শন তিনি দেখেননি বলে জানিয়েছেন। সাম্প্রতিক সময়ে তিনি জাতীয় স্তরে সাংগঠনিক দায়িত্ব প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং ভারত জোড়ো যাত্রায় অংশ নেওয়া থেকে বিরত ছিলেন বলেও জানিয়েছেন।

নতুন পথ নেওয়ার সময়
সিআর কেশবন বলেছেন, নতুন পথ নেওয়ার সময় এসেছে। তবে এব্যাপারে কারণ সঙ্গে এখনও কথা বলেননি। পাশাপাশি পরবর্তীতে কী হবে তাও তিনি জানেন না বলেই জানিয়েছেন। তিনি কংগ্রেসের প্রাথমিক সদস্যপদ ত্যাগ করার পাশাপাশি তামিলনাড়ু কংগ্রেস কমিটির চ্যারিটেবল ট্রাস্টের ট্রাস্টি হিসেবেও তাঁর পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।
সিআর কেশবন বলেছেন, একটি রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে দেশকে সেবা করার চেষ্টা করবেন। সেটা এমন একটা কাজ হবে, যেখানে জাতির প্রতিষ্ঠাতা পিতা-মাতা এবং প্রপিতামহ সি গোপালাচারীর অখণ্ডতা ও আদর্শকে অবিচল রাখতে পারবেন।

কংগ্রেসে অভাব অনেক কিছুর
সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় সিআর কেশবন বলেছেন, যে কোনও বিরোধী রাজনৈতিক দলের মানুষের জন্য কাজ করার ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট বার্তা থাকা উচিত। তাদের উচিত আদর্শগতভাবে জনকেন্দ্রিক বিষয়গুলিকে গ্রহণ করা। তবে কংগ্রেসে তেমন সুসংহত মনোভাব কিংবা দৃষ্টিভঙ্গী সামঞ্চস্যপূর্ণ ছিল না বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। বিষয়টিকে দুর্ভাগ্যজনক বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। যে মূল্যবোধের জন্য তিনি কাজ শুরু করেছিলেন, তা পরিবর্তিত হয়েছে বলেও মন্তব্য করেছেন সিআর কেশবন। কংগ্রেস যেভাবে রাজনীতি করছে, তাতে তিনি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছেন না, তাই পদত্যাগ বলে জানিয়েছেন। কংগ্রেস সম্পর্কে আর কোনও মন্তব্য করতে তিনি অস্বীকার করেছেন।












Click it and Unblock the Notifications