Weather Alert: হিমাচলে একদিনেই মৃত্যু ২০ জনের বেশি! উত্তরাখণ্ডে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা
Weather Alert: টানা তিন দিন প্রবল বৃষ্টির পরে মঙ্গলবার থেকে উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম ভারতে বর্ষণ কিছুটা কমলেও মৃত্যু অব্যাহত। একদিনে আরও ২০ জনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গিয়েছে। যা নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যাটা ১০০-র বেশি।
মঙ্গলবার হিমাচল প্রদেশে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩১-এ। বর্ষা শুরু হওয়ার পর থেকে এখনও পর্যন্ত রাজ্যে ৮০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। প্রতিবেশী উত্তরাখণ্ডে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়াও উত্তর প্রদেশ, পঞ্জাব, রাজস্থানে অতি বৃষ্টিজনিত কারণে একজন করে মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে।

জম্মু ও কাশ্মীর, উত্তরাখণ্ড, হিমাচল প্রদেশ, হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ ও রাজস্থানের নদীগুলির জল বিপদসীমার ওপর দিয়ে বইছে। বন্যায় রাস্তা-সহ বিভিন্ন পরিকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় পরিষেবাও ব্যাহত হয়েছে (Weather Alert)।
দিল্লিতে যমুনা নদী ২০৬ মিটারের বিপদসীমা অতিক্রম করে গিয়েছে। নিচু এলাকায় বসবাসকারীদের নিরাপদ জায়গায় স্থানান্তরিত করা হয়েছে। সতর্কতা মূলক ব্যবস্থা হিসেবে পুরনো রেলসেতুর ওপর দিয়ে রেল ও রাস্তা পুরোপুরি বন্ধ করে দিয়েছে প্রশাসন।
এদিকে হিমাচল প্রদেশে সরকার বন্যা-বিপর্যয় পরিস্থিতির পর্যালোচনা করেছে। ভূমিধস এবং বন্যায় পাহাড়ি ওই রাজ্যে কমপক্ষে ৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে। সেখানে প্রায় ১৩০০ রাস্তা ধরে অবরুদ্ধ হয়ে রয়েছে। কমবেশি ৪০ টি সেতু ক্ষতিগ্রস্ত। সেখানে ৭৯ টি বাড়ি সম্পূর্ণ এবং ৩৩৩ টি বাড়ির আংশিক ক্ষতি হয়েছে (Weather Alert)।
হিমাচল প্রদেশে এখনও পর্যন্ত যে ৮০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। তার মধ্যে ২৪ জনের মৃত্যু হয়েছে সড়ক দুর্ঘটনার কারণে। ধসে মারা গিয়েছেন ২১ জন। উঁচু থেকে পড়ে মারা দিয়েছেন ১২ জন, ডুবে মৃত্যু হয়েছে সাত জনের, আতষ্মিক বন্যায় পাঁচ, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে চার এহং সাপের কামড়ে দুই এবং অন্য কারণে ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।
দিল্লিতে যমুনার জল ১০ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ উচ্চতায় পৌঁছে গিয়েছে। যা আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা। দিল্লিতে ১৯৮২ সালের পর থেকে জুলাই মাসে এক দিনে সর্বোচ্চ ১৫৩ মিমি বৃষ্টিপাত হয়েছে রবিবার সকাল সাড়ে আটটায় শেষ হওয়া ২৪ ঘন্টা সময়ের মধ্যে। পরের ২৪ ঘখন্টায় সেখানে আরও ১০৭ মিমি বৃষ্টিপাত হয়েছে। যা পরিস্থিতিকে আরও ঘোরাল করে তুলেছে।

মঙ্গলবারের পরে বুধবারেও উত্তরখণ্ডের বেশ কয়েকটি জায়গায় প্রবল বর্ষণ অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় পাহাড়ে ধসে কমপক্ষে নয়জন তীর্থযাত্রী নিহত এবং ১৩ জন আহত হয়েছেন। আবহাওয়া দফতর বুধবার সারা দিন ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে। পাশাপাশি রাজ্য প্রশাসনকে সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে।
হরিয়ানা ও পঞ্জাবে তিন দিন ধরে বৃষ্টির পরে তা কমলেও বেশ কিছু জায়গা বন্যার জলে ঢুবে রয়েছে। এই দুই রাজ্যে বৃষ্টিজনিত কারণে মৃতের সংখ্যা ১৫। দুই রাজ্যেই ত্রাণশিবিরগুলিতে বহু মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন (Weather Alert)।












Click it and Unblock the Notifications