Weather alert: আপাতত বৃষ্টি থেকে মুক্তি নেই, ২৪ ঘণ্টায় ৬০ জনের মৃত্যু হিমাচল প্রদেশে
প্রকৃতির রোষে বিপর্যস্ত হিমাচল প্রদেশের। তছনচ হয়ে গিয়েছে রাজ্যের অধিকাংশ এলাকাষ। গত ২৪ ঘণ্টায় হিমাচল প্রদেশে প্রবল বর্ষণের জেরে ৬০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই বৃষ্টির মরণ কামড় থেকে আপাতত রেহাই মিলছে না। জানিয়ে দিয়েছে আইএমডি।
এখনও ৫ দিন লাগাতার বর্ষণ চলবে হিমাচল প্রদেশে। গতকাল থেকে প্রবল বর্ষণে হিমাচল প্রদেশের একাধিক জায়গায় ধস নেমেছে। মেঘভাঙা বৃষ্টিতে একাধিক ব্যক্তির মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। অসংখ্য বাড়ি ঘর ভেঙে গিয়েছে। বুধবার সকালে হিমালচল প্রদেশের কৃষ্ণা নগরে আরও ২ জনের মৃত্যু হয়েেছ।

হিমাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন রাজ্যের ১৫ শতাংশ বিধ্বস্ত হয়ে গিয়েছে বর্ষণে। ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে গোটা রাজ্যে। বৃষ্টি কিছুতেই থামছে না। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জরুরি বৈঠক ডেকেছেন মুখ্যমন্ত্রী। কিভাবে বিদ্যুৎ পরিষেবা নতুন করে তৈরি করা যায় বিধ্বস্ত এলাকায় তা নিয়ে আলোচনা করেছেন তিনি। সেই সঙ্গে পানীয় জলের সরবরাহ নিয়েও আলোচনা হয়েছে।
প্রবল বর্ষণে সিমলায় প্রায় ৫০০ গাছ উপড়ে গিয়েছে। যার জেরে শহরে যাওয়ার একাধিক রাস্তা বন্ধ হয়ে রয়েছে। সেই গাছগুলি সরিয়ে দ্রুত যান চলাচল স্বাভাবিক করার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন চলতি মরশুমে হিমাচল প্রদেশে ১৫৭ শতাংশ বেশি বৃষ্টি হয়েছে। যার জেরে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে গোটা রাজ্যে। ইতিমধ্যেই সেনাবাহিনী উদ্ধার কাজ শুরু করেছে। বায়ুসেনার কপ্টারে প্রায় ১৫০জনে বন্যা বিধ্বস্ত এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। আগামীকাল পর্যন্ত রাজ্যের সব স্কুল কলেজে ছুটি ঘোষণা করেছে হিমাচল প্রদেশ সরকার।
শুধু মঙ্গলবারেই প্রবল বর্ষণে হিমালচল প্রদেশে একাধিক জায়গায় ধস এবং হড়পা বান দেখা গিয়েছে। তার জেরে ৬০ জন মারা গিয়েছে। এদিকে আবার উত্তরাখণ্ডের জোশীমঠও প্রবল বর্ষণে বিপর্যস্ত। সেখানে ভূমির ফাটল আরও বাড়তে শুরু করে দিয়েছে। একাধিক জায়গায় বাড়ি ভেঙে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। রুদ্রপ্রয়াগের কাছে ব্রিজ জলের তোড়ে ভেসে গিয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications