'জনাদেশ মেনে আমরা বিরোধী আসনেই বসব', মহারাষ্ট্রে সরকার গঠন প্রসঙ্গে মন্তব্য শরদের
মহারাষ্ট্রে মুখ্যমন্ত্রিত্ব নিয়ে টানাপোড়েনের মাঝেই গতকাল সেনাপ্রধান উদ্ধাব ঠাকরে ও শরদ পাওয়ারের ফোনালাপের পর আবার প্রমাণ হল যে রাজনীতিতে চির শত্রু বা মিত্র বলে কিছু হয় না। এরপর থেকেই শুরু হয় মহারাষ্ট্রে নতুন করে জোট ভাঙা-গড়ার খেলা। তবে রাজনৈতিক বিষ্লেষকরা যে যাই বলুক পাওয়ার বলছেন অন্য কথা। সাংবাদিকদের তিনি সাফ জানিয়ে দিলেন মহারাষ্ট্র বিধানসভায় বিরোধীদের আসনেই বসবে তাঁর দল।

উদ্ধব ও শরদ পাওয়ারের মধ্যে ফোনালাপ বদলে দিয়েছে সমীকরণ
বিজেপি-সেনা চাপানউতোরে মধ্যেই পদ্মশিবিরকে চাপে রাখতে সেনার তরফে দাবি করা হয়েছিল যে, কংগ্রেস ও এনসিপির সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে তাদের। এরই মাঝে সেনা সাংসদ সঞ্জয় রাউত শরদ পাওয়ারের সঙ্গে দেখা করে আসেন দিওয়ালির পরদিন। তবে এই কৌশলে নয়া মাত্রা যোগ হয় গতকাল, যখন খবর পাওয়া যায় যে উদ্ধব ও শরদ পাওয়ারের মধ্যে ফোনে কথা হয়েছে।

এসসিপি বিরোধী আসনে বসবে
তবে সেনা-এনসিপি জোটের তত্ব সরিয়ে দিয়ে শরদ পাওয়ার জানান, মহারাষ্ট্রের জনগণ এনসিপিকে বিরোধীর আসনে বসার আদেশ দিয়েছে। তারা সেটাই করবে। পাশাপাশি তিনি জানান, যে সরকার গড়ার জন্য পর্যাপ্ত সংখ্যা তাদের কাছে নেই। এছাড়া মুখ্যমন্ত্রিত্ব নিয়ে বিজেপি-সেনা দ্বৈরথ শিশুসুলভ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

কী হতে পারে নতুন জোটের অঙ্ক?
২৮৮ আসন বিশিষ্ট মহারাষ্ট্র বিধানসভায় সরকার গড়তে প্রয়োজন ১৪৫টি আসন। সেনা-বিজেপি জোট সেই সংখ্যা খুব সহজে পার করলেও সরকার গঠন ঝুলে রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সি নিয়ে টানাটানির জেরে। এদিকে সদ্যসমাপ্ত নির্বাচনে কংগ্রেসের ঝুলিতে এসেছে ৪৪টি ও এনসিপি-র ঝুলিতে রয়েছে ৫৪টি। এদের সঙ্গে সেনার ৫৬টি আসন যোগ করলে খাতায় কলমে সরকার গঠন সম্ভব।

সনিয়া গান্ধীর সঙ্গে আলোচনায় পাওয়ার
এদিকে সূত্রের খবর, মহারাষ্ট্রে সরকার গঠন নিয়ে কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গান্ধীর সঙ্গে আলোচনার জন্য দিল্লি যাচ্ছেন পাওয়ার। সনিয়ার সঙ্গে আলোচনার পরে মারাঠাভূমে সম্ভাব্য নয়া জোটের বিষয়টি রূপ পাবে বলে মনে করা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications