৩৭০ ধারা নিয়ে খোলাখুলি আলোচনা চায় কেন্দ্র, বললেন মন্ত্রী

মহাকাশ গবেষণা দফতরের স্বাধীনপ্রাপ্ত রাষ্ট্রমন্ত্রী হলেন জিতেন্দ্র সিং। পাশাপাশি তিনি পিএমও-র রাষ্ট্রমন্ত্রী দায়িত্বও পালন করছেন। সেই জিতেন্দ্র সিং বলেছেন, "মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, তিনি সংবিধানের ৩৭০ ধারা নিয়ে আলোচনা চান। তিনি এটা বলেছেন, কারণ গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে তিনি শ্রদ্ধা করেন। এই আলোচনা চালাতে হবে মিডিয়া মারফত, আয়োজন করতে হবে সেমিনার। ৩৭০ ধারার সমর্থক ছিলেন জওহরলাল নেহরু। কিন্তু এই ধারা থাকার ফলে লাভের চেয়ে কাশ্মীরের ক্ষতিই হয়েছে বেশি। অন্যান্য রাজ্য যে সুবিধা এতদিন ধরে ভোগ করেছে, তা কাশ্মীরকে দেওয়া যায়নি।"
তিনি আরও বলেন, "কারও কপালে বিচ্ছিন্নতাবাদী তকমা সাঁটা থাকে না। আমরা কাশ্মীরের যুবকদের বলেছি, ভারত সরকারের বিরুদ্ধে কোনও ক্ষোভ থাকলেই তোমাদের বিচ্ছিন্নতাবাদী ধরে নেওয়া হবে, ব্যাপারটা এমন নয়। যদি এটা ধরে নেওয়া নয়, তা হলে অন্যায় হবে। আসলে আমাদের মনে হয়, কাজের সুযোগ না থাকায় এবং সন্ত্রাসবাদের দাপট থাকায় এখানকার যুবকরা বিমর্ষ হয়ে পড়েছে। আমাদের সরকারের উদ্দেশ্য, কাশ্মীরের যুবকদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা।"
জম্মু-কাশ্মীরের উধমপুর লোকসভা আসনের সাংসদ জিতেন্দ্র সিং বলেন, "বিজেপি-কে কাশ্মীরের মানুষ বুঝতে পেরেছে। তাই রাজ্যের ছ'টা আসনের মধ্যে তিনটেই আমরা পেয়েছি। তাই ৩৭০ ধারা নিয়ে কাশ্মীরের মানুষকে বোঝানো শক্ত কাজ হবে না বলে মনে করি।"
প্রসঙ্গত, সংবিধানের ৩৭০ ধারা বলবৎ থাকার কারণে ভারতের সংসদ কর্তৃক প্রণীত অনেক আইনই কাশ্মীরে কার্যকর হয় না। প্রতিরক্ষা, পররাষ্ট্র, যোগাযোগ এবং নির্দিষ্ট কিছু বিষয় ছাড়া বাকি সব ক্ষেত্রে রাজ্যের সংবিধান মোতাবেক ক্ষমতা বলবৎ হয়। জম্মু-কাশ্মীর হল ভারতের একমাত্র রাজ্য, যার নিজস্ব সংবিধান রয়েছে। ভারতের সংবিধানে বর্ণিত মৌলিক অধিকার, সম্পত্তির অধিকার ইত্যাদি সেখানে খাটে না। ৩৭০ ধারা খারিজ হয়ে গেলে দেশের আর পাঁচটি রাজ্যের মতোই ভারতীয় সংবিধানের পরিপূর্ণ আওতায় চলে আসবে জম্মু-কাশ্মীর।












Click it and Unblock the Notifications