'বেনামী' আবেদন মামলায় ডিভিশন বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে মামলা রাজ্যের
বেনামী আবেদন মামলায় ডিভিশন বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে গেল রাজ্য সরকার। সিবিআই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে এই মামলা দায়ের করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার রাতেই এই বিষয়ে আবেদন জানানো হয়েছে সরকারের তরফে। আগামীকাল শুক্
বেনামী আবেদন মামলায় ডিভিশন বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে গেল রাজ্য সরকার। সিবিআই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে এই মামলা দায়ের করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার রাতেই এই বিষয়ে আবেদন জানানো হয়েছে সরকারের তরফে। আগামীকাল শুক্রবার সকালে সুপ্রিম কোর্টে এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হবে বলে জানা যাচ্ছে।

বলে রাখা প্রয়োজন, শুক্রবার সকালেই ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশে হাইকোর্টে হাজিরা দেবেন শিক্ষা সচিবের। আর তার আগেই সুপ্রিম কোর্টে গেল রাজ্য। শুক্রবার সকালে রাজ্যের হয়ে সওয়াল জবাবে অংশ নেবেন আইনজীবী মুকুল রোহিতগী। ফলে এই সংক্রান্ত মামলার কোন দিকে গড়ায় সেদিকেই নজর সবার।
আইনজীবীদের একাংশের মতে, নতুন করে আইনি জটিলতা শুরু হতে পারে। শুধু তাই নয়, যেখানে মামলা লড়তে আজই অনেক টাকা বেরিয়ে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে একজন সচিবের হাজিরা ঠেকাতে কেন এত খরচ করে সুপ্রিম কোর্টে রাজ্য? তা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন আইনজীবীরা। সমস্যার সূত্রপাত সুপার নিউমেরারি পোস্টে অযোগ্যদের নিয়োগের পরিকল্পনা নিয়ে।
এই শূন্যপদ তৈরির কথা জানিয়েছিল স্কুল সার্ভিস কমিশন। বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসুর বেঞ্চে এই সংক্রান্ত একটি মামলার শুনানিও হচ্ছে। কমিশন আদালতে বলেছে, অনেকেই তিন-চার বছর ধরে চাকরি করছেন, তাঁদের পরিবার রয়েছে, তাদের কথা ভেবেই আদালতের রায় পুনর্বিবেচনার আর্জি জানানো হয়।
আর তাতেই কার্যত ক্ষুব্ধ হন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। পোস্টে অযোগ্যদের নিয়োগের পরিকল্পনা কার? এই বিশয়ে জানতে শিক্ষা দফতরের সচিবকে আদালতে তলব করা হয়। এমনকি বিষয়টি খতিয়ে দেখতে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। সিঙ্গল বেঞ্চের এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেই হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে মামলা করে রাজ্য সরকার। একই সঙ্গে সচিবের হাজিরা যাতে না দেওয়া হয় সে বিষয়েও আবেদন জানানো হয়। আর সেই মামলার শুনানিতে সিঙ্গল বেঞ্চের রায়কেই বহাল রাখে ডিভিশন বেঞ্চ।
আর এরপরেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ রাজ্য সরকার।












Click it and Unblock the Notifications