বাংলাদেশ-পাকিস্তান থেকে শরণার্থীদের ঢেউ আছড়ে পড়বে! CAA নিয়ে শঙ্কিত কেজরিওয়াল
আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের আগে লক্ষ্য ভোট-ব্যাঙ্ক। সারা দেশে সিএএ লাগু নিয়ে কেন্দ্রের সিদ্ধান্তকে এই ভাষাতেই কটাক্ষ করলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। ২০১৪-র ৩১ ডিসেম্বরের আগে বংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে মুসলিম ধর্মাবলম্বী ছাড়া অন্য যাঁরা ভারতে এসেছিলেন, সিএএ-র মাধ্যমে তাঁদের নাগরিকত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। উল্লিখিত তিন দেশে থেকে আসা হিন্দু ছাড়াও, শিখ, জৈন, বৌদ্ধ, পার্সি, খ্রিস্টানদের নাগরিকত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়েছে সিএএতে।
দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল পরশ্ন করেছেন এই সিএএ কী? কেন্দ্রের বিজেপি সরকার বলছে, বংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে আসা, সেইসব দেশের সংখ্যালঘুরা যদি ভারতের নাগরিকত্ব পেতে চায়, তাহলে তাদের তা দেওয়া হবে। এর অর্থ হল, বড় সংখ্যায় সেইসব দেশের সংখ্যালঘুদের এই দেশে আনা হবে, তাঁদের চাকরি দেওয়া হবে এবং তাঁদের জন্য ঘর তৈরি করা হবে।

তিনি কটাক্ষ করে বলেছেন, বিজেপি আমাদের দেশের লোকেদের জন্য চাকরির বন্দোবস্ত করতে পারছে না, কিন্তু পাকিস্তানের যুবকদের চাকরি দিতে চায়। আমাদের ন্যায্য বাড়িতে পাকিস্তানিদের বসতি স্থাপন করতে চায়। সরকারি অর্থ যা দেশের নাগরিকদের উন্নয়নের জন্য ব্যবহারর কথার কথা, তা পাকিস্তানিদের বসতি স্থাপনের জন্য ব্যবহার করা হবে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।
এদিকে সিএএ নিয়ে আবারও সরব হয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার তিনি উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়ায় সিএএ নিয়ে সরব হওয়ার পরে বিকেলে শিলিগুড়িতেও সরব হন। বিভিন্ন উন্নয়ন বোর্ড ও সম্প্রদায়ের সঙ্গে বৈঠকের পরে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ক্যা (সিএএ) তাঁর পছন্দ নয়। তিনি বলেন, কিছুদিন আগে আধার কার্ড ডিঅ্যাকটিভ করা হচ্ছিল। মানুষের অধিকার ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা হয়েছে। তবে সাধারণ মানুষ কী করবেন, তা তাঁদের ব্যাপার বলেও মন্তব্য করেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, তাঁর কাজ হল সতর্ক করা, তিনি সেইটাই করছেন।
মুখ্যমন্ত্রীকে বলতে শোনা যায়, পাকিস্তান, আফগানিস্তানকে নেওয়া হল। কিন্তু আফগানিস্তানের সঙ্গে কি ভারতের কোনও সীমান্ত আছে? তিন বলেন, পাঁচটা সম্প্রদায়কে নেওয়া হল, কিন্তু মুসলিমদের বাদ দেওয়া হল, যেন তাঁদের কোনও অবদান নেই।












Click it and Unblock the Notifications