দেশের বেশিরভাগ মানুষের কাছে হাত ধোয়াটাই বিলাসিতা! করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য
করোনা ভাইরাসের মোকাবিলায় বারবার হাত ধোয়ার কথা বলছেন বিশেষজ্ঞরা। কিন্তু শহর কিংবা গ্রাম, সব জায়গাতেই পরিশ্রুত জলের অভাব। সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে দেশের গ্রামীণ এলাকার ৮২ শতাংশ এবং শহর এলাকার ৬০ শতাংশ ম
করোনা ভাইরাসের মোকাবিলায় বারবার হাত ধোয়ার কথা বলছেন বিশেষজ্ঞরা। কিন্তু শহর কিংবা গ্রাম, সব জায়গাতেই পরিশ্রুত জলের অভাব। সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে দেশের গ্রামীণ এলাকার ৮২ শতাংশ এবং শহর এলাকার ৬০ শতাংশ মানুষের মধ্যে হাত ধোয়ার ব্যাপারটা অনেকটাই বিলাসিতার মতো।

করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সব থেকে সস্তা হল হাত ধোয়া
করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সব থেকে সস্তার উপায় হল হাত ধোয়া। তবে শুধু করোনার বিরুদ্ধে লড়াই নয়, সেকোনও সংক্রামক রোগের ক্ষেত্রে তা প্রযোজ্য। করোনার ক্ষেত্রে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানাচ্ছে, ২০ সেকেন্ড ধরে হাত ধোয়ার কথা।

১ বার হাত ধুতে লাগে ২ লিটার জল
গড়ে ১০ বার হাত ধুতে ২০ লিটার জল লাগে। যা কিনা মাথা পিছু ভারতবাসীর জলের পরিমাণের থেকে ২০ শতাংশ বেশি।

দেশের ২০ শতাংশ জায়গায় খরার মতো পরিস্থিতি
ভারত করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করছে। এই পরিস্থিতিতে দেশের ২০ শতাংশের বেশি জায়গায় খরার মতো পরিস্থিতি। আইআইটি গান্ধীনগরের তরফে এমনই তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
গ্রামীণ এলাকায় যেখানে সরকারের জল সরবরাহের ওপর নির্ভর করে, সেখানে প্রত্যেক লোকের জন্য বরাদ্দ ২৫ লিটার করে জল। কিন্তু হু-এর গাইডলাইন অনুযায়ী এই জল কেবলমাত্র হাত ধোয়ার কাজেই লেগে যাবে। তাহলে খাওয়ার জন্য কতটাই বা জল পড়ে থাকছে।

বেশিরভাগ মেট্রো শহরেই জলের সমস্যা
দিল্লি হোক কিংবা চেন্নাই কিংবা হায়দরাবাদ, সর্বত্রই জলের অভাব। অভিযোগ চেন্নাই শহরে জল সরবরাহ ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমে গিয়েছে। আর হায়দরাবাদের কোনও কোনও জায়গায় একদিন বাদে একদিন জল সরবরাহ করা হয়ে থাকে।












Click it and Unblock the Notifications