নাম বদলও নয়, বিকিনি পরারও বিরুদ্ধে ওয়াহিদা রহমান

সেযুগে অভিনেতা-অভিনেত্রীদের ক্ষেত্রে নাম বদলের একটা চল ছিল। সেই সময়কার অনেক অভিনেত্রীকেও বিকিনিতে দেখা গিয়েছিল বড় পর্দায়। কিন্তু বিকিনিতে স্বচ্ছন্দ ছিলেন না ওয়াহিদা। তাঁর কথায়, তাঁর চেহারায় বিকিনি মানাবে না ভেবেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি।
ওয়াহিদা জানালানে, গুরু দত্তের সঙ্গে ছবি করার সময়ে চুক্তিপত্রে আমার একটি শর্ত সংযোজন করা হয়েছিল। যা অনুযায়ী পোষাক নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আমিই নেবয আমার যেটা পছন্দ হবে না সে রকমের কোনও পোষাক আমি পড়ব না।
ওয়াহিদা রহমানের এখনও পর্ষন্ত সবচেয়ে পছন্দের চরিত্র গাইড ছবির রোজি চরিত্রটিই
অন্যদিকে অভিনেত্রীর কথায়, বিকিনি পরা তো দুর অস্ত। কখনও হাতকাটা ব্লাউজও পড়েননি তিনি। তা সে ছবির পর্দায় হোক বা ব্যক্তিগত জীবনে। যদিও এখনকার অভিনেত্রীর হামেশাই বিকিনি পড়া নিয়ে তার কোনও সমস্যা নেই। বললেন, তখনকার সময় আলাদা ছিল। এখন সময় বদলেছে, এখনকার নায়িকারা তন্বী।
শুধু পোষাক নয়, নাম অপরিবপর্তিত রাখা নিয়েও জেদী ছিলেন ওয়াহিদা. বললেন, তখনকার সময় নাম বদলটা একরকমের ফ্যাশন ছিল। দিলীপ কুমার, মীনা কুমারি, মধুবালা অনেকেই নাম বদল করে এসেছিলেন ইন্ডাস্ট্রিতে। অভিনেত্রীর কথায়, অনেকেই বলেছিলেন আমার নামটা অনেক বড়, বদলে কোনও ছোট নাম রাখতে। আমি তাতে কোনও মতেই রাজি ছিলাম না। আমার মা-বাবা আমার নাম দিয়েছেন, সুতরাং নাম বদলের কোনও প্রশ্নই ছিল না।
পথ চলা শুরু সেই ১৯৫৫ থেকে। এখনও ভাল চরিত্র পেলে অভিনয় করেন। তবে গাইডের রোজি চরিত্রে অভিনয় করে সবচেয়ে বেশি আনন্দ পেয়েথিলেন ওয়াহিদা। এই ছবিতে আমি নাচের সুযোগ পেয়েছিলাম। কেউ ভাবেওনি যে আমি নাচতে পারব। তার উপর তখনকার দিনে এমন একটা চরিত্রে অভিনয়, অনেকেই এই চরিত্রে অভিনয় করতে চাননি। যেখানে এক বিবাহিত মহিলা স্বামী ছেড়ে দেওয়ার পর অন্য পুরুষের সঙ্গে থাকতেন। তবে সেটা আমার কাছে সাপে বরই হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications