'নিখোঁজ কেজরিওয়াল'কে খুঁজে আনতে পারলে পুরস্কার, পোস্টারে ছাইল দিল্লির দেওয়াল!
এটুকু পড়ে কী ভাবছেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল নিখোঁজ হয়েছেন? তাঁর কারণ কী হতে পারে, রাজনৈতিক হিংসা, নাকি মানসিক চাপ। আরে না না ওসব কিছুই না। আসলে ৪৯ দিনের মুখ্য়মন্ত্রীকে শেষ কবে দেখেছিলেন সে স্মৃতি ধূসর হয়েছে আরডব্লুএ সদস্যদের মনে। সামনে দিল্লি বিধানসভা নির্বাচন দিল্লির। তাই নিয়ে এখানে ওখানে একের পর এক গরমাগরম বক্তৃতাও দিচ্ছেন কেজরিবাবু। বলছেন, দিল্লির ভোটারদের কাছে আগেরবারের জন্য ক্ষমা চাইতে হবে আমাদের। অথচ কাজের বেলায় 'নিখোঁজ' তিনি।
আর তাতেই ক্ষেপেছেন নয়াদিল্লির ভোটার তথা আরডব্লুএ-র সদস্যরা। কেজরিওয়ালকে উপহাস করে তাই রীতিমতো নিখোঁজ পোস্টার ছাপিয়ে শহরের দেওয়ালে দেওয়ালে লাগিয়ে দিয়েছেন তাঁরা। নিখোঁজ পোস্টারটি দেখলে হাসতে হাসতে পেটে খিল ধরে যেতে পারে আপনার। ওই পোস্টারে কেজরিওয়ালের বর্ণনা দেওয়া হয়েছে তা হল, গায়ের রং: শ্যামবর্ণ, অসুখ: কাশি, কাজ: ধরনা আর মিথ্যা কথা বলা। ওই পোস্টারে এও লেখা আছে যে যাঁরা কেজরিওয়ালকে খুঁজে আনতে পারবেন তাঁদের জন্য রয়েছে পুরস্কারও। যদিও কী পুরস্কার তা অবশ্য লেখা নেই ওই পোস্টারে।
এই পোস্টার তৈরির মুল কারণই হল কেজরিওয়ালের অনুপস্থিতি। গত বিধানসভা নির্বাচনে নয়াদিল্লি থেকে বিপুল ভোট জয়ী হয়েছিলেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। প্রথমবার জাতীয় স্তরের নির্বাচনে অংশ নিয়েই দিল্লির ১৫ বছরের কংগ্রেস সরকারকে গদিচ্যুত করেছিল কেজরিওয়ালের আম আম আদমি পার্টি। মুখ্যমন্ত্রীও হয়েছিলেন তিনি। অথচ সে দায়িত্ব পালন করতে না পেরে ৪৯ দিনের মাথায় মুখ্যমন্ত্রীত্ব ছাড়েন কেজরিওয়াল। মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়াল তো নয়ই বিধায়ক কেজরিওয়ালও এলাকাবাসীর সমস্যার সমাধানের কোনও চেষ্টাই করেননি। তাই এখনও নিজেদের সমস্যা নিয়ে বর্তমান বিধায়ক কেজরিওয়ালের অপেক্ষা করছে এলাকাবাসী। কিন্তু দেখা নেই বিধায়কের। আর সেই ক্ষোভেই কেজরিওয়ালের বিরুদ্ধে সরস প্রতিবাদ নয়াদিল্লির রেসিডেন্ট ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের।













Click it and Unblock the Notifications