SIR প্রত্যাহারের দাবিতে রাজধানীতে ধুন্ধুমার, তৃণমূলের মহিলা সাংসদদের হেনস্থার অভিযোগ
এসআইআর প্রত্যাহার করা হোক। এই দাবি নিয়ে আজ রাজধানীতে আজ নির্বাচন কমিশনে যাওয়ার পথে বাধা দেওয়া হলো ইন্ডিয়া জোটের সাংসদদের। এমনকী পুলিশের বিরুদ্ধে অতি সক্রিয়তা ও হেনস্থার অভিযোগ তুলেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদরা।
আরামবাগের সাংসদ মিতালি বাগকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি চলাকালীন অসুস্থ হয়ে পড়েন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র। সেখানে ছিলেন রাহুল গান্ধী-সহ বিরোধী সাংসদরা। দোলা সেন, মমতাবালা ঠাকুর এবং প্রতিমা মণ্ডলকেও দিল্লি পুলিশ হেনস্থা করে বলে অভিযোগ। পায়ের সমস্যার কারণে তাঁরা গাড়িতে চেপে নির্বাচন কমিশনের দিকে যেতে গেলে তাঁদের বাধা দেয় পুলিশ। পায়ের সমস্যার কথাও তাঁরা শুনতে চাননি।

তৃণমূল সাংসদ সুস্মিতা দেব বলেন, বিহারে ৬৫ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। তাহলে ২০২৪ সালে কীভাবে ভোট হলো? তাহলে তো নরেন্দ্র মোদী সরকারকে সরানো উচিত।
তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায় বলেন, মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে পদত্যাগ করতে হবে। এসআইআরের নামে ভোটার তালিকায় কারচুপির প্রচুর প্রমাণ আমাদের কাছে আছে। এই ব্যবস্থা প্রত্যাহার করতে হবে। আমাদের দাবি না মানলে এই ব্যবস্থা আমরা মানব না। আমাদের পুলিশ বাসে করে নির্বাচন কমিশনের দফতরে নিয়ে যাওয়ার কথা বললেও নিয়ে এসেছে থানায়।
তৃণমূল সাংসদ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বিরোধী দলের সাংসদরা নিজেদের ভাষায় এসআইআরের বিরোধিতায় নেমেছে। এই ব্যবস্থায় নীরবে অদৃশ্য কারচুপি চলছে। তার প্রতিবাদ জানাতে নির্বাচন কমিশনের দফতরে যাওয়ার সময় যেভাবে দিল্লি পুলিশ নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের বাধা দিল তা গণতন্ত্রের পক্ষে কালো দিন।
এদিনের ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখা হয়েছে, "নির্বাচন কমিশন ও বিজেপি দুই ভাই মিলে করছে ভোট চুরি। ভোটাধিকার ছিনিয়ে নিয়ে বিজেপিকে অন্যায্য সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার জন্য বিজেপি-নির্বাচন কমিশনের আঁতাত আমরা মানব না, আমরা চুপ করে বসে থাকব না। আজ আমাদের সাংসদরা, INDIA ব্লকের সাংসদদের সঙ্গে একত্রিত হয়ে নির্বাচন কমিশন পর্যন্ত মিছিল করেছেন। বাংলার নির্বাচনকে বিজেপির ব্যক্তিগত সার্কাসে পরিণত করতে দেব না।"
সাংসদদের হেনস্থার বিষয়ে তৃণমূল জানিয়েছে, না গেট বন্ধ হয়েছে, না ১৪৪ ধারা লঙ্ঘন হয়েছে। তবুও নির্বাচন কমিশনের দফতরে যাওয়ার আগে পুলিশি হয়রানির মুখে আমাদের সাংসদরা। বিজেপি ভাবছে, বিরোধীদের ভয় দেখিয়ে পার পেয়ে যাবে। ভুল করছে। প্রতিবাদ আরও তীব্র হবে। বিজেপি আর নির্বাচন কমিশন মিলে চুপি চুপি ভোট চুরি করতে চাইলেও বিরোধীরা একজোট থেকে সেই প্রয়াস রুখবে বলে দাবি তৃণমূলের।












Click it and Unblock the Notifications