ফর্মাল পোশাকে কাজে আসতে হবে, সরকারি আধিকারিকদের নির্দেশ সরকারের
জাতির ঐতিহ্য ভুললে চলবে না। সেটা মনে প্রাণে জিইয়ে রাখতে হবে। রাজ্যবাসীর কাছে সেই বার্তা পৌঁছে দিতে সরকারি কর্মী এবং আধিকারিকদের দেশীয় পোশাকে দফতরে আসার নির্দেশিকা জারি করল মিজোরাম সরকার।
জাতির ঐতিহ্য ভুললে চলবে না। সেটা মনে প্রাণে জিইয়ে রাখতে হবে। রাজ্যবাসীর কাছে সেই বার্তা পৌঁছে দিতে সরকারি কর্মী এবং আধিকারিকদের দেশীয় পোশাকে দফতরে আসার নির্দেশিকা জারি করল মিজোরাম সরকার।

উত্তর-পূর্বের ছোট্ট রাজ্য। পুরোটাই আদিবাসী এলাকা। কিন্তু পাশ্চাত্য সংস্কৃতীর প্রভাবে কোথায় যেন দেশীয় সংস্কৃতি ভুলতে বসেছে রাজ্যের যুবারা। সেই জাতির অস্তিত্ব যেন মুছে না যায় সেকারণেই এই নির্দেশিকা বলে জানিয়েছে মিজো সরকার।
নির্দেশিকায় সপ্তাহে অন্তত একদিন রাজ্যের সব সরকারি আধিকারিক এমনকী আমলাদেরও দেশীয় পোশাক পরে অফিসে আসতে হবে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী জোরামথাঙ্গাসের সাক্ষর করা এই নির্দেশিকা ইতিমধ্যেই বিভিন্ন দফতরে পৌঁছে গিয়েছে।
বছর দুয়েক আগে অসমে বিজেপি শাসিত রাজ্য সরকার একই ভাবে সরকারি দপ্তরে পোশাক হুলিয়া জারি করেছিল। তাতে বলা হয়েছে রাজ্যের সব সরকারি কর্মীদের মাসের প্রথম এবং শেষ শনিবার দেশীয় পোশাক পরে অফিসে আসতে হবে। ছেলেদের পরতে হবে ধুতি ও কুর্তা এবং মেয়েদের পরতে হবে মেখলা ও চাদর। এই পোশাক হুলিয়া নিয়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছিল অসমে।
কারণ এই রাজ্যে বসবাসকারী অনেক আদিবাসীদেরই এই পোশাক নয়। তাই দেশীয় পোশাক পরে আসতে বলা হলে তাঁদের নিজেদের দেশীয় পোশাক পরে আসতে হয়। এই দাবি জানিয়ে প্রতিবাদে সামিল হয়েছিলেন অসমের কর্মচারি পরিষদ। অসমে প্রতিবাদের জেরে সেই হুলিয়া বাতিল হয়ে গেলেও মিজোরামে কিন্তু তেমন কোনও প্রতিবাদ দেয়া যায়নি। উল্টে গত বুঝবার সরকারি নির্দেশিকা মেনেই রাজ্যের সব সরকারি দফতরেই দেশীয় পোশাক পরে উপস্থিত হয়েছিল কর্মী এবং আধিকারিকরা।












Click it and Unblock the Notifications