Manipur Violence: ইম্ফলে অ্যাম্বুল্যান্স ভস্মীভূত! জাতপাতের আগুনে মা, আহত শিশু-সহ তিনজনের মৃত্যু
কোনওভাবে হিংসা থানার লক্ষণ নেই উত্তর-পূর্বের ছোট রাজ্য মণিপুরে (Manipur Violence)। জাতপাতের রাজনীতি সেখানে ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। দেরিতে পাওয়া এক খবর জানা গিয়েছে ৪ জুন রাতে ইম্ফলে দুষ্কৃতীরা একটি অ্যাম্বুল্যান্সে আগুন দিলে তিনজনের মৃত্যু হয়। এঁদের মধ্যে একটি শিশুও রয়েছে।
প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, ওই অ্যাম্বুলেন্সের মধ্যে ছিল একটি পরিবার ও তাঁদের একজন আত্মীয়। এই পরিবারে পুরুষ ব্যক্তি হলেন কুকি জনজাতির। তাঁর স্ত্রী হলেন মেইতেই সম্প্রদায়ভুক্ত। কুকি আর মেইয়তেইদের মধ্যে সংঘর্ষেই এবার উত্তপ্ত মণিপুর। মৃত তিনজন হলেন টনসিং হ্যান সিং(৮), মা মীনা হ্যাংসিং (৪৫) এবং লিডিয়া লোরেম্বার (৩৭)।

৪ জুন রবিবার রাতে ঘটনাটি ঘটে ইম্ফল পশ্চিমের ইরোইসেম্বা এলাকার লাম্ফেন থানা এলাকায়। সেই সময় শিশুকে নিয়ে ইম্ফলের হাসপাতালে যাচ্ছিল পরিবারটি। পথে অ্যাম্বুল্যান্সে আগুন নাগানো হয় সেটিতে। ৬ জুন লাম্ফেন থানার সামনে অগ্নিদগ্ধ অ্যাম্বুলেন্সটিকে পার্ক করা হয়।
প্রকাাশিত খবর অনুযায়ী, অসম রাইফেলসের এক পদস্থ কর্তা ঘটনার কথা স্বীকার করে নিয়েছেন। জানা গিয়েছে পরিবারটি মাতাই কাংচুপে অসম রাইফেলসের ত্রাণশিবিরে ছিল। ৪ জুন সন্ধেয় এলাকায় গুলিযুদ্ধ শুরু হয়। সেই সময় শিশুটি গুলিবিদ্ধ (Manipur Violence) হয়।
জানা গিয়েছে, ইম্ফল পুলিশের সঙ্গে কথা বলার পরে অসম রাইফেলসের তরফে ব্যবস্থা করে দেওয়া অ্যাম্বুল্যান্সে চারজন ইম্ফলের ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সের দিকে রওনা দেন। অ্যাম্বুলেন্সটি কয়েক কিমি অসম রাইফেলসের এসকর্টে থাকার পরে স্থানীয় পুলিশের অধীনে দেওয়া হয়। কিন্তু পথে দুষ্কৃতীরা সেই অ্যাম্বুল্যান্সে হামলা করে আগুন (Manipur Violence) ধরিয়ে দেয়।

মেইতেই সম্প্রদায়কে তফশিলি উপজাতিভুক্ত করার প্রতিবাদ করে গতমাসের ৩ মে থেকে মণিপুরে হিংসা শুরু হয়। গত এপ্রিলে মণিপুর হাইকোর্ট মেইতেইদের তফশিলি উপজাতি মর্যাদা দিতে কেন্দ্রের কাথে সুপারিশ পাঠাতে বলেছিল রাজ্য সরকারকে। কিন্তু কুকি আদিবাসীরা এর প্রতিবাদ করে। পাশে দাঁড়ায় অল ট্রাইবালস স্টুডেন্টস ইউনিয়ন।
ইতিমধ্যে মণিপুরে হিংসার এই ঘটনায় ৮০ জনের ওপর সাধারণ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়াও নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে বহু জঙ্গিরও মৃত্যু হয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনী বিভিন্ন জায়গায় এরিয়া ডমিনেশনে নেমেছে। কিন্তু এখনও জাতিদাঙ্গার আগুন (Manipur Violence) নেভেনি সেখানে।












Click it and Unblock the Notifications