ফের চোখে ধুলো দিয়ে পালাল বিকাশ দুবে! এনকাউন্টারে খতম সাগরেদ, মিলছে পুলিশ যোগের গন্ধ
এখনও অধরা কানপুরে আট পুলিশকর্মী খুনে অভিযুক্ত গ্যাংস্টার বিকাশ দুবে। এদিন তাকে প্রায় নাগালের মধ্যে পেয়েও ধরতে ব্যর্থ হয় পুলিশ। তবে তা সত্ত্বেও সাফল্য পেল উত্তরপ্রদেশ পুলিশের বিশেষ টাস্ক ফোর্স। এদিন ভোরে এক এনকাউন্টারে পুলিশের সঙ্গে গুলিযুদ্ধে নিহত হয় বিকাশের ঘনিষ্ঠ সহযোগী অমর দুবে।

হামিরপুরের এনকাউন্টারে মৃত সাগরেদ
এদিন ঘটনাটি ঘটে হিমাচল প্রদেশের হামিরপুরে। এদিকে পুলিশ যানতে পারে যে ফরিদাবাদের বাধকল চক এলাকায়, দিল্লি-মথুরা হাইওয়ের এক হোটেলে লুকিয়ে ছিল বিকাশ দুবে। তবে তাকে ধরতে সেখানে পৌঁছানোর আগেই সেখান থেকে পালিয়ে যায় বিকাশ। কুখ্যাত বিকাশ দুবেকে ধরিয়ে দিতে পারলে ২.৫ লক্ষ টাকার পুরস্কার ঘোষণা করেছে পুলিশ।

দুবেকে ধরতে হোটেলে অভিযান
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নির্দিষ্ট খবর পেয়ে উত্তরপ্রদেশ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের অফিসারদের ৩০-৩৫ জনের একটি দল ওই হোটেলে অভিযান চালান। কিন্তু, তাঁরা পৌঁছনোর আগেই বিকাশ দুববে সেখান থেকে পালিয়ে যায়। পুলিশ অবশ্য তাঁর এক সহযোগীকে সেখান থেকে গ্রেফতার করেছে। সে জেরায় স্বীকার করেছে বিকাশ দুবে ফরিদাবাদের ওই হোটেলেই ছিল।

আঙুল উঠেছে পুলিশের দিকে
গত কালই বিকাশকে সাহায্যের আঙুল উঠেছিল চৌবেপুর থানার স্টেশন অফিসার বিনয় তিওয়ারির দিকে। তাকে সাসপেন্ডও করা হয়। এদিকে ধৃত হোটেল রেডে ধৃত, যে কিনা বিকাশের ঘনিষ্ঠ, তার বয়ানেও উঠে এসেছে পুলিশের জড়িয়ে থাকার প্রমাণ। জেরায় ওই দুষ্কৃতী জানিয়েছে, অভিযানে বেরোনোর আগেই থানা থেকে ফোন করে সতর্ক করা হয় বিকাশকে। তার পরেই ২৫-৩০ জনকে জড়ো করে হামলার পরিকল্পনা করে বিকাশ।

পুলিশের বিরুদ্ধেও তদন্ত
খোদ পুলিশেরই একাংশ দুষ্কৃতীদের সাহায্য করায় উদ্বেগ বেড়েছে প্রশাসনের অন্দরমহলে। কানপুরের পুলিশ প্রধান মোহিত আগরওয়াল জানিয়েছেন, স্থানীয় থানার সমস্ত কর্মীই তদন্তের আওতায় রয়েছেন। অভিযানের আগাম খবর ফাঁসের সঙ্গে যাঁরা জড়িত, তাঁদের বিরুদ্ধে খুনের মামলা দায়ের হবে।












Click it and Unblock the Notifications