দুই বাচ্চাকে নিয়েই আত্মঘাতী 'নাবালিকা' তিন বোন? জোরাল হচ্ছে গার্হস্থ্য হিংসা'র ঘটনা
ভয়ঙ্কর একটি খবরে সাক্ষী রাজস্থানের রাজধানী জয়পুরে। ২০ দিন এবং চার বছরের দুটি বাচ্চা খুন করে আত্মঘাতী হলেন তিন বোন। যার মধ্যে দুজন ওই দুই বাচ্চার মা। ওই তিন বোনের বয়স ২০ বছর থেকে ২৭ বছরের মধ্যে জানা যাচ্ছে। পাঁচজনের নিথর
ভয়ঙ্কর একটি খবরে সাক্ষী রাজস্থানের রাজধানী জয়পুরে। ২০ দিন এবং চার বছরের দুটি বাচ্চা খুন করে আত্মঘাতী হলেন তিন বোন। যার মধ্যে দুজন ওই দুই বাচ্চার মা। ওই তিন বোনের বয়স ২০ বছর থেকে ২৭ বছরের মধ্যে জানা যাচ্ছে। পাঁচজনের নিথর দেহ গ্রামের একটি কুয়োতে পাওয়া যায়। আর তা একেবারেই চাঞ্চল্য ফেলে দিয়েছে গোটা গ্রামে।
ঘটনার পরেই গোটা গ্রাম জড়ো হয়ে যায়। ঘটনার পরেই ঘটনাস্থলে পৌঁছন খোদ মন্ত্রী। এমনকি স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের বিশাল টিম ঘটনার পরেই ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। কি কারণে এই ঘটনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই ঘটনা নিছক আত্মহত্যা নাকি খুনে করে ফেলে দেওয়া হয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে পুলিশের তরফে।

বাজার যাচ্ছে বলে বাড়ি থেকে বের হয়-
দুদু পুলিশের তরফে দাবি, গত দুদিন আগেই দুপুরে ওই এলাকার একটি গ্রাম থেকে রহস্যজনকভাবে একই পরিবারের পাঁচ সদস্য নিখোঁজ হয়ে যায়। আর এর মধ্যে ২৭ বছর কালু দেবী মিনা, ছোট বোন ২৩ বছরের মমতা মীনা এবং সবথেকে ছোট বোন ২০ বছর কমলেশ মীনা ছিলেন। তিনজন বোন তাঁদের চার বছরের বাচ্চা এবং ২০ দিনের শিশুকে দুপুরে বাজারে যাবেন বলে বাড়ি থেকে বের হয়। আর এরপর আর বাড়ি ফেরে নে তাঁরা।

রাত পর্যন্ত বাড়ি না ফেরায় পুলিশের দ্বারস্থ হয় পরিবার
পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে যে, পাঁচ সদস্য সন্ধ্যা পর্যন্ত বাড়ি না ফেরায় চিন্তা বাড়তে থাকে। শুধু তাই নয়, পরিবারের তরফে স্থানীয় থানায় এই বিষয়ে জানানো হয়েছে। আর এরপরেই বিভিন্ন জায়গাতে খোঁজখবর শুরু হয়। বিভিন্ন জায়গাতে নিখোঁজ সদস্যদের ছবি পাঠানো হয়। বিভিন্ন জায়গাতে তল্লাশির মধ্যেই পাঁচ সদস্যের মৃতদেহ উদ্ধার হয় স্থানীয় ক্ষেত্র সংলগ্ন কুয়ো থেকে। বাড়ি থেকে দু কিমি দূরে থাকা কুয়ো থেকেই দেহগুলি উদ্ধার হয়। আর এরপরেই বিষয়টি আরও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে পুলিশের তরফে। দেহগুলিকে উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্যে পাঠানো হয়েছে।

গার্হস্থ্য হিংসা'র স্বীকার
এই তিন মহিলাই কি গার্হস্থ্য হিংসা'র শিকার? উড়িয়ে দিচ্ছেন না পুলিশ আধিকারিকরা। ইতিমধ্যে পরিবারের সদস্যদের জেরা শুরু করেছেন তদন্তকারীরা। তবে স্থানীয় সুত্র খবর, গত ১৫ দিন আগেই কালুদেবীকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছিল। এমনকি সেখান থেকে ফেরার পরেও চোখের কোনে কালো দাগ ছিল। স্পষ্ট ছিল আঘাতের চিহ্নও। পুলিশ সূত্রে খবর, নাবালিকা থাকাকালীনই তিন বোনকেই বিয়ে দিয়ে দেওয়া হয়। তাঁরা পড়াশুনাও যথেষ্ট ভালো ছিল। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত পড়াশুনা ছিল। কিন্তু কেন এমন অবস্থা এরপরেও? পুরো ঘটনা যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications