ভায়াগ্রা ফেরাল মুমূর্ষু করোনা রোগীর জীবন
ভায়াগ্রা ফেরাল মুমূর্ষু করোনা রোগীর জীবন
লন্ডন : করোনা আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন মনিকা আলমেইদা। শারীরিক পরিস্থিতি অত্যন্ত খারাপ ছিল। ক্রমাগত কমছিল অক্সিজেন লেভেল। কোমায় ছিলেন ২৮ দিন ধরে। ৭২ ঘণ্টা ছিলেন ভেন্টিনেশনে। বাঁচার আশা ছিল না। সেখান থেকেই এক অত্যাশ্চর্য ঘটনা। যমের দুয়ার থেকে ফিরে আসেন তিনি। সৌজন্যে ভায়াগ্রা।

মনিকা আলমেইদা পেশায় নার্স। তাঁর এক সহকর্মীর ভুল কিন্তু ঠিক সিদ্ধান্তে বেঁচে যান মনিকা। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ব্রিটেনের ওই মহিলা। জানা গিয়েছে, তখন মনিকার শারীরির অবস্থা খুবই খারাপ। তাঁরই এক সহকর্মী ভুল করে ভায়াগ্রা দিয়ে দেন । তারপরেই ঘটে এক অভূতপূর্ব ঘটনা। চিকিৎসায় সাড়া দিতে শুরু করেন মনিক। ধীরে ধীরে শরীরে অক্সিজেন লেভেল বাড়তে শুরু করে। ছিলেন কোমায়। সেখান থেকে স্বাভাবিক হয়ে যান। একে অত্যাশ্চর্য ছাড়া কিইবা বলা যেতে পারে!
ব্রিটেনের হাসপাতালে করোনা ওয়ার্ডেই কাজ করতেন মনিকা। সেখান থেকেই করোনা আক্রান্ত হয়ে যান তিনি । হারিয়ে ফেলতে থাকেন স্বাদ ও গন্ধ। কফের সঙ্গে রক্ত পড়তে শুরু করেছিল। ধীরে ধীরে চলে যান কোমায়। ভায়াগ্রার এক ডোজেই ওই পরিস্থিতি থেকে স্বাভাবিক জীবনে প্রত্যাবর্তন।
সুস্থ হওয়ার পর নার্স মনিকা বলেন, 'আমি যখন জ্ঞানে ফিরি তখন চিকিৎসকেরা আমাকে জানান যে ভায়াগ্রার সাহায্যে আমার জ্ঞান ফিরেছে৷ প্রথমে আমার বিশ্বাস হয়নি, ভাবলাম ওঁরা মজা করছে। কিন্তু ওঁরা বলে, সত্যিই আমাকে ভায়াগ্রার ভারী ডোজ দেওয়া হয়েছে'। তিনি আরও বলেন, '
তিনি পরে আরও বলেছেন , 'ভায়াগ্রাই আমার জীবন বাঁচিয়েছে। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে আমার ফুসফুস কাজ শুরু করে। আমার হাঁপানি ছিল, তাই অক্সিজেনের মাত্রা এতটা কমে যাচ্ছিল।'
এখন আগের থেকে ভালো আছেন মনিকা এবং বাড়িতেই তাঁর চিকিৎসা চলছে। আসলে ভায়াগ্রার ব্যবহার রক্ত সঞ্চালন উন্নত করে। ফুসফুসে ফসফোডিস্টেরেজ এনজাইম তৈরি করে। একইসঙ্গে রক্তনালীকে প্রসারিত করে ফুসফুসকে শিথিল করতে করে। আর সেটাই কাজ করে মনিকার শরীরে।












Click it and Unblock the Notifications