কলেজ ক্লাস রুমের মধ্যে সাভারকারের ছবি বসিয়ে পুজো, উঠল বিতর্কের ঝড়

ম্যাঙ্গালোর বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি কলেজে লাগানো হয়েছিল বীর সাভারকারের ছবি। সঙ্গে বোর্ডের উপর বসানো হয়েছিল ভারত মাতার ছবি। বিতর্কের পড়ে তা সরিয়ে ফেলা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। কলেজের কোনও অনুমতি ছাড়াই দু'দিন আগে একটি শ্রেণিকক্ষে ব্ল্যাকবোর্ডের উপরে দেওয়ালে সাভারকর ও ভারত মাতার ছবি দেখতে পাওয়া যায়।

কলেজ ক্লাস রুমের মধ্যে সাভারকারের ছবি বসিয়ে পুজো, উঠল বিতর্কের ঝড়

সোমবার সন্ধ্যায় কয়েকজন ছাত্র ব্ল্যাকবোর্ডের উপরে ওই দুটি প্রতিকৃতি বসিয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিও ক্লিপ এবং কিছু পড়ুয়া বিষয়টি অধ্যক্ষের নজরে আনার পরে ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে। কলেজের অধ্যক্ষ অনসূয়া রাই বলেন, কলেজ পোর্ট্রেটগুলো সরিয়ে দিয়েছে কারণ সেগুলো কোনো অনুমতি ছাড়াই লাগানো হয়েছিল। যে সব পড়ুয়া এর সঙ্গে যুক্ত ছিল তাঁদের সতর্ক করে দেওয়া হয় এবং পরে তাঁদের শৃঙ্খলাভঙ্গের জন্য লিখিতভাবে ক্ষমা চাওয়ানো হয়।

এদিকে, বুধবার একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি উল্লেখ করে, ইসমাইল বি-এর, সাধারণ সম্পাদক, দক্ষিণ কন্নড় যুব কংগ্রেস বলেছেন, "কারা কলেজের ছাত্রদের এই ধরনের কাজে প্ররোচিত করতে উসকানি দিচ্ছে তা খুঁজে বের করা দরকার। পর্দার আড়ালে থাকা ব্যক্তি এবং এ ধরনের কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছাত্রদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। মহাত্মা গান্ধী আমাদের আদর্শ। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কার প্রতিকৃতি বসানো যাবে তা স্পষ্ট করে শিক্ষা দফতর একটি সার্কুলার জারি করে থাকতে পারে। বিজ্ঞপ্তিটি অনুসরণ করা উচিত," তিনি বলেন, ইচ্ছাকৃতভাবে একটি বিতর্ক তৈরি করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

সম্প্রতি কর্ণাটকে অনেকটা এমনই ঘটনা ঘটেছিল। সেখানে একটি গ্রাম পঞ্চায়েতে রাস্তার নাম করা হয়েছিল নাথুরাম গডসের নামে।রিপোর্ট অনুযায়ী, উদুপি জেলার বোলা গ্রাম পঞ্চায়েতে এই ঘটনা ঘটে। গান্ধীর হত্যাকারীর নামে রাস্তার নামকরণের বিষয়টি যুব কংগ্রেসের নেতারা গ্রাম পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষের নজরে নিয়ে আসেন। গ্রাম পঞ্চায়েতের আধিকারিকরা তৎপর হয়ে পুলিশের সহায়তায় নামের বোর্ডটি সরিয়ে ফেলেন।

বোলা গ্রাম পঞ্চায়েতের পঞ্চায়েত উন্নয়ন আধিকারিক (পিডিও) রাজেন্দ্র সংবাদপত্রকে জানিয়েছেন যে সোমবার সকালে বিষয়টি নজরে আসে। পিডিও বলেছেন, "পঞ্চায়েতে কখন এবং কে এই সাইনবোর্ড লাগিয়েছে তার আমার জানা নেই। গডসের নামে রাস্তার নামকরণের জন্য গ্রাম পঞ্চায়েত কোনও প্রস্তাব নেয়নি। সেখানে ওই কংক্রিট নামের বোর্ড কারা স্থাপন করেছে তা আমরা জানি না। তাই, খবর পাওয়ার পর শীঘ্রই আমরা কারকালা গ্রামীণ পুলিশকে সেখান থেকে ওটা অপসারণের জন্য সাহায্য চেয়েছিলাম।"

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+