হিরেন খুনের ষড়যন্ত্র করতে সচিন বেজ ও অভিযুক্ত কনস্টেবলের সাক্ষাত, প্রমাণ এনআইএর হাতে
হিরেন খুনের ষড়যন্ত্র করতে সচিন বেজ ও অভিযুক্ত কনস্টেবলের সাক্ষাত
আম্বানি বোমাতঙ্ক কাণ্ডে মনসুখ হিরানি খুনের ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে এল। এনআইএ মঙ্গলবার বিশেষ আদালতকে জানিয়েছে যে অ্যাসিস্ট্যান্ট পুলিশ ইনস্পেক্টর সচিন বেজ এবং বরখাস্ত কনস্টেবল বিনায়ক শিন্ডে এক আলোচনায় যোগ দেয়, যেখানে মনসুখ হিরেনকে খতম করার ষড়যন্ত্র করা হয়।

মনসুখ হিরেনের গাড়ি ব্যবহার করে তাতে জিলেটিন স্টিক ও হুমকি চিঠি রেখে তা মুকেশ আম্বানির বাড়ির সামনে রেখে দেওয়া হয় গত ২৫ ফেব্রুয়ারি। সেই মনসুখ হিরেনের দেহ উদ্ধার হয় ৫ মার্চ কালওয়ার খাঁড়ি থেকে। বিশেষ সরকারি আইনজীবী সুনীল গনসালভেস, এনআইএ পক্ষ থেকে আদালতকে জানান যে তারা সাক্ষীদের বয়ান রেকর্ড করেছে, যিনি বলেছেন যে বেজ ও শিন্ডে ওই আলোচনায় উপস্থিত ছিল।
আইনজীবী বলেন, 'সাক্ষী একটি ফোন বেজের হাতে তুলে দিয়েছিল। এই ফোনের মাধ্যমেই ষড়যন্ত্রকারীর সঙ্গে কথা হয়, যে মনসুখ হিরেনকে খুন করে।’ এনআইএ মঙ্গলবার আদালতের কাছে শিন্ডে, বুকি নরেশ গৌর, উভয়কেই মহারাষ্ট্রের এটিএস গ্রেফতার করে ২০ মার্চ হিরেন খুনের ঘটনায়, এদের আরও কিছুদিনের হেফাজত চায়। এটিএস অভিযুক্তদের এনআইএর হাতে তুলে দেয় ২৪ মার্চ, এর আগে কেন্দ্রের নির্দেশে এনআইএ হিরেন খুনের ঘটনার তদন্ত শুরু করে।
প্রসঙ্গত, এটিএস আগেই জানিয়েছিল যে মনসুখ হিরেন খুনের ঘটনায় প্রধান ষড়যন্ত্রকারী সচিন বেজ। যদিও হিরেন খুনের সময় বেজ ঘটনাস্থলে ছিল না ঠিকই। তবে খুনের ষড়যন্ত্র করেছে বেজই। খুনের পেছনে কি কারণ তা এখনও স্পষ্ট নয় তবে আম্বানির বাড়ির বাইরে বিস্ফোরক–ভর্তি গাড়ি উদ্ধার ও মনসুখ হিরেন খুনের ঘটনা যে একে–অপরের সঙ্গে জড়িত তা একদম স্পষ্ট বলেই জানিয়েছে এটিএস। এনআইএ দু’দিন আগেই মুম্বইয়ের মিঠি নদী থেকে বেশ কিছু ইলেকট্রনিক্স প্রমাণ উদ্ধার করে। যা তদন্তের কাজে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।












Click it and Unblock the Notifications