নির্বাচনের আগে হঠাৎই বদলে গিয়েছেন বরুণ গান্ধী! সরকারি মঞ্চ থেকে বললেন দেশাত্মবোধের কথা
গত সাড়ে চার বছরে বিভিন্ন সময়ে কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনার বিরোধিতা করতে দেখা গিয়েছে পিলিভিটের বিজেপি সাংসদ বরুণ গান্ধীকে। এলাকার ছোট-বড় নেতারাও বরণ গান্ধীর থেকে দূরে সরে গিয়েছিলেন। ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনে তাঁকে টিকিট না দেওয়া নিয়ে জল্পনাও তৈরি হয়।
এহেন বরুণ গান্ধীকে এদিন বিজেপি নেতাদের সঙ্গে বসে থাকতে দেখা গিয়েছে। এখানেই শেষ নয়, তাঁকে প্রধানমন্ত্রী মোদীর প্রশংসা করতেও দেখা গিয়েছে। যে কারণে বিজেপি ও বরুণ গান্ধীর মধ্যে সব কিছু ঠিকঠাক চলছে বলেই মনে করা হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, এদিন অমৃত ভারত প্রকল্পের অধীনে প্রধানমন্ত্রী মোদী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বিভিন্ন স্টেশনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন কিংবা নতুন করে তৈরির কাজের সূচনা করেন। সেই রকমই একটি অনুষ্ঠান ছিল পিলিভিটে। সেখানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সাংসদ বরুণ গান্ধী। অনুষ্ঠানে বিজেপির জেলা সভাপতি সঞ্জীব প্রতাপ সিং-সহ দলের অনেক নেতা উপস্থিত ছিলেন।
চার বছর পরে একই মঞ্চে দেখা গিয়েছে স্থানীয় সাংসদ ও জেলি বিজেপি সভাপতিকে। এছাড়াও এদিনের সরকারি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, প্রাক্তন বিধায়ক কিষাণলাল রাজপুত, ডিসিবি সভাপতি সতপাল গঙ্গওয়ার, পুরপ্রধান আস্থা আগরওয়ালসহ অন্য বিজেপি নেতারা।
গত তিন বছরের বেশি সময় ধরে মোদী সরকার ও যোগী সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনার বিরোধিতা করতে দেখা গিয়েছে বরুণ গান্ধীকে। এর ফলে স্থানীয় ছোট-বড় বিজেপি নেতারা বরুণ গান্ধীর সঙ্গে দূরত্ব বাড়িয়েছিলেন। সেইসবের মধ্যেও এদিন বরুণ গান্ধীকে সরকারি অনুষ্ঠানে অন্য নেতাদের সঙ্গে বসে থাকতে দেখা গিয়েছে।
সরকারি মঞ্চ থেকে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বরুণ গান্ধী বলেছেন, আমাদের দেশ সারা বিশ্বে ছাপ রেখে যাচ্ছে। বিশ্বের অনেক দেশের প্রেসিডেন্ট কিংবা প্রধানমন্ত্রী ভারতীয় বংশোদ্ভুত। তিনি বলেছেন, দেশপ্রেম শুধু একটি স্লোগান হওয়া উচিত নয়, জীবনের মূল পথ হওয়া উচিত। এই বিষয়টি সবার মধ্যে তুলে ধরার আহ্বান জানান তিনি। বরুণ গান্ধী বলেন, এদিনের কর্মসূচিকে তিনি দেশাত্মবোধক কর্মসূচি হিসেবে দেখছেন।












Click it and Unblock the Notifications