নয়া করোনা স্ট্রেনের প্রাদু্র্ভাব ঠেকাতে ৬ সপ্তাহের মধ্যেই আসছে ভ্যাকসিন, দাবি বায়োএনটেকের
নয়া করোনা স্ট্রেনের প্রাদু্র্ভাব ঠেকাতে ৬ সপ্তাহের মধ্যেই আসছে ভ্যাকসিন, দাবি বায়োএনটেকের
একদিকে যেমন ব্রিটেন ও বাহরিনের মত দেশে জরুরিভিত্তিতে ভ্যাকসিন প্রয়োগ শুরু করেছে ফাইজার-বায়োএনটেক, অন্যদিকে আবার একই ভ্যাকসিনের উপাদানগত সমস্যার কারণে অ্যালার্জির সমস্যায় ভুগছেন মার্কিনীরা। একইসাথে ভ্যাকসিন প্রস্তুতি থেকে প্রয়োগের গোটা প্রক্রিয়ায় যেভাবে বিলম্ব ঘটছে, তাতে চিন্তিত বহু দেশই। উপরন্ত মাথাব্যথা বাড়িয়ে করোনা ফিরেছে নতুন রূপে। ইতিমধ্যেই ইতালিতে বেড়েছে মৃত্যুমিছিল, ব্রিটেনে শুরু হয়েছে লকডাউনের তোড়জোড়। এরই মাঝে নয়া অভিযোজিত করোনা প্রতিরোধে আশার কথা শোনাল বায়োএনটেক।

নবপ্রকারের ভ্যাকসিন প্রস্তুতিতে লাগতে পারে ছয় সপ্তাহ
বহুরূপী করোনার প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে মঙ্গলবার বায়োএনটেকের সহ-প্রতিষ্ঠাতা উগার সাহিন জানিয়েছেন, "আমাদের ভ্যাকসিন করোনার পূর্ব রূপের বিরুদ্ধে যেমন কার্যকর, নতুন স্ট্রেনের বিরুদ্ধেও একইরকম সক্ষম।" যদিও এ বিষয়ে সম্পূর্ণ নিশ্চিত হওয়ার জন্য যে কমপক্ষে ৬ সপ্তাহের গবেষণা প্রয়োজন, তাও জানিয়েছেন তিনি। তাঁর স্থির বিশ্বাস, বায়োএনটেকের প্রযুক্তি ছয়সপ্তাহের মধ্যে ভ্যাকসিন তৈরিতে সক্ষম হবে।

চাপে ব্রিটেনের গবেষকরা
গত সোমবারই বায়োএনটেকের তরফে উগার সাহিন জানিয়েছিলেন যে, ব্রিটেনে আশানুরূপ প্রভাব ফেলেছে ফাইজার-বায়োএনটেকের ভ্যাকসিন। যদিও করোনার নতুন রূপের বিষয়ে ব্রিটেনের স্বাস্থ্য আধিকারিকদের বক্তব্য, করোনার এই স্ট্রেন যথেষ্ট শক্তিশালী এবং তাই বায়োএনটেককে এইবার আরও গুরুত্ব সহকারে পর্যবেক্ষণ করতে হবে। ফলত সবমিলিয়ে যথেষ্ট চাপে রয়েছেন ব্রিটেনের গবেষকরা।

যোগাযোগ বন্ধের জেরে বড়সড় সমস্যায় ব্রিটেন
এদিকে করোনার দ্বিতীয় দফার সংক্রমণে ইতিমধ্যেই জেরবার ব্রিটেন। সোমবার থেকেই ব্রিটেনের সঙ্গে সমস্ত যোগাযোগ ছিন্ন করেছে বহু দেশ, আর স্বাভাবিকভাবেই খাদ্যশস্য হোক বা অন্যান্য পণ্য, আমদানির অভাবে যথেষ্ট সমস্যার মুখে পড়তে চলেছে ব্রিটেন, এমনই মত আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বিশেষজ্ঞদের। অন্যদিকে লন্ডন সহ ব্রিটেনের অন্যান্য শহরও হেঁটেছে লকডাউনের পথে, স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্কিত ব্রিটিশরা।

নিজে কর্মীদের টিকাকরণের পথে বায়োএনটেক
অন্যদিকে ইতিমধ্যেই বায়োএনটেকের সকল কর্মীর টিকাকরণের পক্ষে সওয়াল করলেন সংস্থার সহ-কর্ণধার উগার সাহিন। তাঁর মতে, "আমাদের কর্মীরাই যদি সুস্থ না থাকেন, তবে সারা বিশ্বের জন্য ভ্যাকসিন তৈরি হবে কী করে!" অন্যদিকে, হু-এর তরফে জানানো হয়েছে করোনার অভিযোজন আসলে যেকোনোও মহামারীরই একটি প্রাথমিক ঘটনা। ফলে স্বাভাবিক ভাবেই করোনা সংক্রান্ত স্বাস্থ্যবিধি গুরুত্বসহকারে মেনে চললেই সুস্থ থাকা সম্ভব, এমনটাই মত বিশেষজ্ঞদের।












Click it and Unblock the Notifications