Uttarkashi Tunnel Collapse: বাধ সাধছে আবহাওয়া! টানেলে আটকে থাকা শ্রমিকদের উদ্ধারে আরও বিলম্বের আশঙ্কা
Uttarkashi Tunnel Collapse: গত ষোলো দিন ধরে উত্তরাখণ্ডে উত্তরকাশীর সিল্কিয়ারার সুরঙ্গে আটকে রয়েছেন ৪১ জন নির্মাণ শ্রমিক। ড্রিলিংয়ের অগার মেশিন ভেঙে ভিতরে আটকে যাওয়ায় গত চারদিন ধরে ৮০ সেন্টিমিটার ব্যাসের ১০ মিটার পাইপ বসানোর কাজ করা যায়নি। এদিকে উদ্ধার অভিযানে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের আশঙ্কাও দেখা দিয়েছে।
ইতিমধ্যে পাইপের ভিতর থেকে মেশিনের ভাঙা অংশ বের করা হয়েছে। বিকল্প পথ হিসেবে সেনা জওয়ানরা পাহাড়ের চূড়া থেকে উল্লম্ব খননের কাজ শুরু করেছেন। প্রায় ২০ মিটার পর্যন্ত খননের কাজ শেষ হয়েছে। কমপক্ষে ৮৬ মিটার উল্লম্বভাবে খনন করতে হবে। যা করতে চারদিন পর্যন্ত সময় লেগে যেতে পারে।

অন্যদিকে টানেলের ভিতর উদ্ধার অভিযানের কৌশল ঠিক করতে ড্রোন ম্যাপিং করা হয়েছে। তবে আবহাওয়া দফতরের সতর্কবার্তা উদ্ধার অভিযানে থাকা কর্মী এবং ভিতরে আটকে পড়া কর্মীদের পরিবারে চিন্তা বাড়িয়েছে।
আবহাওয়া দফতরের তরফে উত্তরাখণ্ডের জন্য হলুদ সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। বলা হয়েছে সোমবার থেকে তিনদিন ভারী বৃষ্টি এবং তুষারপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এই সতর্কবার্তা পাওয়ার পরেই প্রশাসনের আশঙ্কা উদ্ধার অভিযান আরও অসুবিধার মুখে পড়তে পারে।
পশ্চিমী ঝঞ্ঝার কারণে উত্তরকাশী, রুদ্রপ্রয়াগ, চামোলি, পিথোরাগড় এবং আলমোড়ার ওপরের দিকে ভারী বৃষ্টিপাতের পাশাপাশি তুষারপাত হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। আর সিল্কিয়ারা, বরকোট হল উত্তরকাশীল সেইসব এলাকা, যেখানে ভারী তুষারপাত হয়।
উত্তরকাশীতে যেখানে নির্মীয়মান টানেলে ধস নেমেছে, সেখানকার মাটি নরম বলে জানা গিয়েছে। ফলে বৃষ্টি হলে, সেখানে আরও বেশি ধস নামতে পারে। এর ফলে টানেলের মধ্যে যে পাইপ ঢোকানো হয়েছে, তাতে ফাটল ধরার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বৃষ্টি হলে উদ্ধারকাজে যুক্ত থাকাদের নিরাপত্তাও চ্যালেঞ্জের হয়ে দাঁড়াবে বলেও মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
অন্যদিকে তুষারপাত হলে একদিকে যেমন উদ্ধারকাজ ব্যাহক হবে, ঠিক তেমনই সেখানে বিদ্যুতের সমস্যা দেখা দিতে পারে। এছাড়া ঠান্ডার কারণে টানেলের ভিতরে থাকা শ্রমিকরা এবং উদ্ধারকাজে যুক্ত থাকা লোকজনও সমস্যায় পড়বেন। যে কারণে সেনাবাহিনীর তরফে ড্রোনের মাধ্যমে টানেলের থ্রিডি ম্যাপিং করা হয়েছে। এক্ষেত্রে তুষারপাতের কারণে সুরঙ্গের মুখ ঢেকে গেলেও উদ্ধারের কৌশল তৈরিতে সুবিধা হবে।
উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি গত কয়েকদিন ধরে ঘটনাস্থলে রয়েছেন। তিনি উদ্ধার অভিযান পর্যবেক্ষণ করছেন। উত্তরাখণ্ড সরকারের তরফে উত্তরকাশীতে মুখ্যমন্ত্রীর জন্য অস্থায়ী শিবির তৈরি করা হয়েছে। যেখান থেকে মুখ্যমন্ত্রীর অফিসের বাকি কাজ করা হচ্ছে। উল্লেখ্য দীপাবলির দিন অর্থাৎ ১২ নভেম্বর টানেলে কাজ করার সময় ধস নামে। সেখানে আটকা পড়ে যান ৪১ জন শ্রমিক।












Click it and Unblock the Notifications