Uttarakhand: নতুন করে ধস, থমকে গেল উত্তরকাশীর টানেলের উদ্ধারকাজ, বেঁচে ফিরবেন তো শ্রমিকরা উঠছে প্রশ্ন
চারদিন ধরে উত্তরকাশীর টানেলের ভেতরে আটকে রয়েছেন ৪০ জন শ্রমিক। তাঁদের মধ্যে বাংলার তিন শ্রমিকও রয়েছেন। বুধবার সকালে ড্রিল মেশিন চালাতে গিয়ে নতুন করে বিপত্তি। ফের ধস নামে টানেলের ভেতরে। কীভাবে বেঁচে ফিরবেন শ্রমিকরা এই নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।
এদিকে শ্রমিকদের উদ্ধারে দিল্লি থেকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বিশেষ ড্রিলিং মেশিন। চারদিন ধরে টােনলের ভেতরে আটকে রয়েছেন তাঁরা। যত দ্রুত সম্ভব শ্রমিকদের উদ্ধার করা যায় তার চেষ্টা করা হচ্ছে। আমেরিকার তৈরি সেই ড্রিলিং মেশিন দ্রুত পাথর কাটতে সক্ষম বলে জানিয়েছেন উদ্ধারকারী দলের প্রতিনিধিরা। ঘণ্টায় ৫ মিটার করে ড্রিল করতে পারে সেই মেশিন।

কাজেই দিল্লি থেকে সেই অত্যাধুিক ড্রিলিং মেশিন চলে এলে উদ্ধারকাজ অনেকটাই দ্রত করা সম্ভব হবে। তবে এখন প্রশ্ন উঠছে যদি বার বার ধস নামে তাহলে সেই আমেরিকার ড্রিলিং মেিশন চালালেও তো ধস নামার সম্ভাবনা রয়েছে। তখন কোন পথে হাঁটবেন বিশেষজ্ঞরা। এদিকে চার দিন ধরে ৪০ জন শ্রমিক আটকে রয়েছেন টানেলের ভিতরে।
পাইপের মাধ্যমে তাঁদের অক্সিজেন এবং জল সরবরাহ করা হচ্ছে। ঘটনাস্থলে সেই অত্যাধুনিক মেশিন পৌঁছতে আর কয়েক ঘণ্টা মাত্র সময় লাগবে বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। এদিকে এই দুর্ঘটনার পর টানেলের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। যদি শ্রমিকরা উদ্ধার পেয়ে বেরিয়েও আসে তাহলেও টানেল কতটা নিরাপদ হবে। এর পরেও যে ধস নামবে না তার গ্যারান্টি কতটা রয়েছে সে নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
দীপাবলির দিন ধস নামে টানেলে। সেসময় টানেলের ভেতরে কাজ করছিলেন শ্রমিকরা। সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের উদ্ধারে কাজ করতে শুরু করেছিল বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর। তারপরে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর। বিআরও, আইটিবিপি জওয়ানরা। তাঁদের সম্মিলিত চেষ্টায় চলছে উদ্ধারকাজ।












Click it and Unblock the Notifications