Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

Uttarakhand: ২৪ ঘণ্টা ধরে বরফের নিচে, "ভেবেছিলাম সব শেষ!" চামোলিতে বিভীষিকার সাক্ষী হয়ে বেঁচে ফিরলেন শ্রমিকরা

Uttarakhand Avalanche: উত্তরাখণ্ডের চামোলিতে ভয়াবহ তুষারধসের ২ দিন পার। এখনও নিখোঁজ ৫ জন শ্রমিকের দেহ। মানা এলাকায় তুষারধসে চাপা পড়ে গিয়েছে বর্ডার রোড অর্গানাইজেশনের (BRO Camp) ক্যাম্প। ফেঁসে থাকা ৫৫ জন শ্রমিকের মধ্যে ৫০ জনকে ইতিমধ্যেই উদ্ধার করা হয়েছে। বরফে চাপা পড়ার বিভীষিকাময় মুহূর্তের কথা জানালেন কোনওক্রমে প্রাণ বাঁচিয়ে ফেরা এক শ্রমিক।

ক্যাম্প এলাকা থেকে ৫০ জনকে উদ্ধার করা সম্ভবপর হয়েছে। যদিও তাদের মধ্যে ৪ জন মারা গিয়েছেন। যুদ্ধকালীন তৎপরতার সঙ্গে চলছে উদ্ধারকাজ। সময়ের সঙ্গে কার্যত রেষারেষি চলছে উদ্ধারকারী দলের। মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামীর নেতৃত্বে চলছে উদ্ধারকার্য। মিলিত অভিযান চালাচ্ছে ভারতীয় সেনা, আইটিবিপি, এনডিআরএফ ও এসডিআরএফ।

chamoli

ফেঁসে থাকা শ্রমিকদের খোঁজ পেতে স্নিফার ডগ, থার্মাল ইমেজ ও ভিকটিম লোকেটিং ক্যামেরা ব্যবহার করা হচ্ছে। দুর্ঘটনার মুহূর্তের কথা মনে করেই শিউড়ে উঠছেন বেঁচে ফেরা শ্রমিকরা। বাঁচার আশাটুকুও ছেড়ে দিয়েছিলেন তারা। তাদের খোঁজে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছিল পরিবারও। এমনই ভয়াবহ অভিজ্ঞতা শেয়ার করলেন মনোজ ভাণ্ডারী নামে বছর চল্লিশের এক শ্রমিক।

বিআরও ক্যাম্প চত্বরে কন্টেনারে ছিলেন মনোজ। তিনি ও তাঁর দুই সঙ্গী ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে তীব্র ঠান্ডার মধ্যে বাঁচার চেষ্টা করছিলেন। পরনে গরম জামাকাপড় তো দূর, ঠিকঠাক জামাকাপড়ও ছিল না। পায়ে জুতোও ছিল না। সংবাদমাধ্যমে তিনি জানান, ঢাল বরাবর গড়িয়ে কন্টেনারটি। প্রায় ১০০ মিটার নিয়ন্ত্রণহীনভাবে চলেছিল কন্টেনারটি। তুষারধসের তীব্রতায় কন্টোরের দরজা জানলা ও ছাদ ভেঙে যায়। বরফাবৃত ঢালের মধ্যে ছড়িয়ে ছিটিয়ে যান তারা। বাকি জিনিসপত্র এদিক ওদিক ছিটিয়ে যায়।

খালি পায়ে বরফের মধ্যে হেঁটে আর্মি গেস্ট রুমের দিকে কোনওমতে এগিয়ে যান ভাণ্ডারী-সহ তার ২ জন সঙ্গী। পা কার্যত অবশ হতে বসেছিল তাদের। গেস্ট রুম পর্যন্ত পৌঁছে কার্যত প্রস্তরীভূত হয়ে গিয়েছিলেন তারা। গেস্ট রুমের দরজা ভেঙে তারা প্রবেশ করেন ভেতরে। সেখানে ব্ল্যাঙ্কেট ও ম্যাট্রেসের সংকুলান করলেও সঙ্গে ছিল না কোনও খাবার। গোটা একদিন না খেয়ে কোনওমতে কাটাচ্ছিলেন তারা।

কোনওমতে বেঁচে ফিরেছেন নরেশ সিং বিস্ত ও দীক্ষিত সিং বিস্ত। তারা সম্পর্কে তুতোভাই। ভাণ্ডারীর মতো একইরকম অভিজ্ঞতার সাক্ষী তারাও। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অন্ধকারে কাটিয়েছেন তারা। নরেশের বাবা ধ্যান সিং জানান, শুক্রবার দুপুর ১টা নাগাদ তুষারধসের খবর পান তারা। খুবই চিন্তায় পড়ে গিয়ে ফোন করেন ছেলেকে। কিন্তু ফোনে স্যুইচড অফ পান। হেল্পলাইনে ফোন করে পরে জানতে পারেন ছেলে সুস্থ রয়েছে।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+