Uttar Pradesh: ফসল সমীক্ষা এবার ডিজিটাল, ‘ই-পড়তাল’ চালুর ঘোষণা যোগী সরকারের, জানুন বিস্তারিত
উত্তরপ্রদেশ সরকারের লক্ষ্য কৃষকদের আয় দ্বিগুণ করা। কৃষকদের ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করতে এবং কৃষিসংক্রান্ত সুবিধা প্রদানের জন্য 'ই-পড়তাল' চালু করার পরিকল্পনা করলেন যোগী আদিত্যনাথ। তিনি উত্তরপ্রদেশে ফসল সমীক্ষাকে ডিজিটাল করতে পরিকল্পনা নিয়েছেন।
মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের নেতৃত্বে উত্তরপ্রদেশ সরকার শুক্রবার জানিয়েছে, 'ই-পড়তাল' নামে একটি ডিজিটাল ফসল সমীক্ষা বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করা হয়েছে। যাতে কৃষকদের ঋতু পরিবর্তনের ফলে ফসলের ক্ষতি থেকে রক্ষা করা যায় এবং কৃষকরা সরকারি অনুদান ও স্কিম থেকে উপকৃত হন, তা নিশ্চিত করতেই এই ব্যবস্থা।

উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের তত্ত্বাবধানে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। এই ডিজিটাল সমীক্ষার মাধ্যমে চলতি খরিফ মরশুমে কী কী ফসলের ফলন কেমন হয়েছে তা জানা যাবে। এছাড়াও মুখ্যমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জারি করা একটি বিবৃতি অনুসারে, রবি ও জাইদ মরসুমে রাজ্যজুড়ে ভবিষ্যতের পরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছে।
বিবৃতি অনুসারে আসন্ন জরিপে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর প্রাথমিক লক্ষ্য হল একটি ইকোসিস্টেম এবং একটি নির্ভরযোগ্য ডাটাবেস তৈরি করা। এটি রিয়েল-টাইম ফসলের আপডেট দেবে। সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলিকে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের অনুমতি দেবে।
সমীক্ষাটি উত্তরপ্রদেশজুড়ে ৭৫টি জেলার ৩৫০টি তহসিল থেকে ৩৫৯৮৩টি ই-পডতাল ক্লাস্টার এবং ৩১০০২টি অ্যাকাউন্ট কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করবে। প্রতিটি ক্লাস্টার ফটোগ্রাফ এবং ফসল সম্পর্কিত তথ্য-সহ বিস্তারিত ফসলের অবস্থার তথ্য সংকলন করবে বলে বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।

ফসলের তথ্য সংগ্রহ শেষ হলে ডাটাবেস মেনে ফসলের অবস্থার একটি বিশদ বিবরণ সামনে আনা হবে। এই তথ্যগুলি কৃষকদের কাছে সরকারি প্রকল্পের সুবিধা প্রসারিত করা এবং ফসলের মূল্য নির্ধারণে সহায়ক হবে। এখানে উল্লেখ্য, রাজ্যের খরিফ মরশুম ১৫ জুন শুরু হয়েছে এবং সমীক্ষার প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই চলছে।
এই খরিফ মরশুমের সমীক্ষাটি ১০ অগাস্ট থেকে ২৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। রবি মরশুমে জরিপ ১ জানুয়ারি থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত হবে। আর জায়েদ মরশুমে সমীক্ষা ১ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত হবে। প্রয়োজনে অক্টোবরে অতিরিক্ত জরিপ করা হতে পারে।
সরকারি বিবৃতি অনুসারে একটি মসৃণ সমীক্ষা প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে লখনউয়ের কৃষি ভবনে তিন দিনের কর্মশালায় প্রশিক্ষণের জন্য জেলা-স্তরের জেলা প্রশিক্ষক এবং ব্লক স্তরের জন্য ব্লক প্রশিক্ষককে বেছে নেওয়া হবে। লখনউ সার্কেলের সার্ভেয়ার, সুপারভাইজার এবং যাচাইকারীদের লোক ভবনে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।












Click it and Unblock the Notifications