তিনবছরের জন্য শ্রম আইন বাতিল উত্তরপ্রদেশে! অর্থনীতি চাঙ্গা করতে কড়া পদক্ষেপ যোগীর, ফাপড়ে শ্রমিকরা
এক অভাবনীয় সিদ্ধান্তে উত্তরপ্রদেশের প্রায় সব শ্রম আইন বাতিল করলেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। এর জেরে এখন সংস্থাগুলো যেকোনও সময় যেকোনও কর্মীকে ছাঁটাই করতে পারবে। ধসে পড়া অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে সংস্থাগুলোকে সুবিধা পাইয়ে দিতেই এই পদক্ষেপ। তবে তিনটি ক্ষেত্রে শ্রম আইন লাগু থাকবে বলে জানিয়েছে যোগী প্রশাসন।

লকডাউনে থমকে রয়েছে অর্থনীতি
করোনা ভাইরাস রুখতে বিশ্বজুড়ে লকডাউন পরিস্থিতিতে। গত ২৫ মার্চ থেকে ভারতেও একই পরিস্থিতি। এর জেরে থমকে রয়েছে অর্থনীতি। যারা বাড়িতে বসে কাজ করতে পারছেন তারা করছেন, না হলে কর্মহীন ভাবে দিন কাটছে কয়েক কোটি মানুষের। এই পরিস্থিতিতে অর্থনীতি যে ধসে যাবে তা প্রায় একপ্রকার নিশ্চিত। আর এই ধসের জেরে দেশে চাকরির অভাবও দেখা দিতে শুরু করেছে ইতিমধ্যেই। পাশাপাশি চাকরি হারাচ্ছেন বহু মানুষ।

কর্মীদের ধরে রাখতে অনীহা বহু সংস্থার
ব্যবসার অস্তিত্বই লাভ করার জন্য। উৎপাদন না হলে, বিক্রি হবে না। মানে, লাভ হবে না। যার মানে, কর্মী নিয়োগ হবে না। ব্যবসাগুলো স্বল্প সময়ের জন্য অনাবশ্যক কর্মীদের ধরে রাখে, এই আশায় যে, পরিস্থিতি ফিরে আসলে যাতে চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ করা যায়। কিন্তু পরিস্থিতি বেশি খারাপের দিকে এগোতে থাকলে তারা আর কর্মীদের ধরে রাখবে না। আর এহেন লকডাউন পরিস্থিতিতে তাই কর্মীদের ধরে রাখতে অনীহা বহু সংস্থার।

সংস্থাগুলির প্রতি কেন্দ্রের আুবেদন
করোনা লকডাউনের এই পরিস্থিতিতে যাতে কোনও সংস্থা কর্মী বা তাঁদের বেতন ছাঁটাই না-করে, সে জন্য নির্দেশিকা জারি করেছে কেন্দ্র। দেশের সংস্থাগুলির কাছে এই বিশয়ে আর্জি জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী স্বয়ং। কিন্তু তা সত্ত্বেও দেশের প্রায় সব প্রান্ত থেকে ছাঁটাইয়ের অভিযোগ আসছে। এই পরিস্থিতিতে উত্তরপ্রদেশ সরকারের এহেন এক সিদ্ধান্ত নিয়ে তৈরি হয়েছে বিতর্ক।

যোগীর সিদ্ধান্তে তৈরি বিতর্ক
যোগী আদিত্যনাথের নেতৃত্বাধীন সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে অসুস্থতার সময় এক্স গ্রাশিয়া দিতে হবে। সময় মতো কর্মীদের বেতন দিতে হবে সংস্থাকে। এছাড়া বন্ডেড লেবার কোনও ভাবেই করানো যাবে না কর্মীদেরকে দিয়ে। এই তিনটি ক্ষেত্রে শ্রম আইন আগের মতোই লাগু করা হবে। তবে বাকি ক্ষেত্রে এখন উৎপাদনকারী সংস্থাগুলোর মুক্তহস্ত।












Click it and Unblock the Notifications