মালাবদলের পরই বিয়ে ভেঙে দিলেন কনে, পাত্রর কী দেখে এমন সিদ্ধান্ত? জানলে অবাক হবেন
বিয়ের মরসুম সারাদেশে শুরু হয়ে গিয়েছে। এবং প্রতিবারের মতো এবারও বিয়ে নিয়ে নানা অদ্ভুত খবর ইতিমধ্যে সামনে আসতে শুরু করেছে। এই যেমন ঘটল উত্তরপ্রদেশে। মালাবদলের পরেও বিয়ে করতে অস্বীকার করলেন পাত্রী। যার ফলে ঢাক-ঢোল পিটিয়ে বিয়ে করতে এসেও খালি হাতে ফিরতে হল পাত্রপক্ষকে।
ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের সুলতানপুরের মুস্তাফাবাদ কালা নামে একটি গ্রামে। বরপক্ষ এবং কনেপক্ষ সকলেই দারুণ উৎসাহে বিয়েতে অংশ নিয়েছিলেন। বরপক্ষ ঢাক-ঢোল, বাজনা সহযোগে মেয়েটির বাড়িতেও এসে উপস্থিত হন। সেখানে অতিথিদের খুব ভালোভাবে অভ্যর্থনা জানানো হয়। চা, জল খাবার খেয়ে সকলে বিয়ের জন্য প্রস্তুত হন।

অন্যদিকে বিয়ের মঞ্চে বর এবং কনে মালাবদলের পরই ঘটে অদ্ভুত ঘটনা। মেয়ে হঠাৎ বেঁকে বসেন। এবং বলেন, তিনি এই বিয়ে করবেন না। কারণ পাত্র কম পড়াশোনা জানা এবং মানসিকভাবে স্থিতিশীল নন। এরপরই বিয়ে বাড়িতে হইচই পড়ে যায়। দুই পক্ষের গুরুজনেরা আলোচনায় বসেন। মামলা থানায় পর্যন্ত গড়ায়। দুই বাড়ির লোকেরা, থানার বড়বাবুরা সকলে মিলে বুঝিয়েও মেয়েটিকে অবশ্য শেষ পর্যন্ত রাজি করাতে পারেননি।
ঘটনা হল, মেয়েটি নিজে স্নাতক পাস করেছেন। মালাবদল করতে এসে তিনি জানতে পারেন তাঁর হবু বর দশম শ্রেণী ফেল। এটা জানার পর আর নিজেকে ঠিক রাখতে পারেননি মেয়েটি। মালাবদরের পরেই চিৎকার করে বিয়ে ভেঙে দেন।
শেষ পর্যন্ত পুলিশের মধ্যস্থতায় ঠিক হয়েছে, বরপক্ষ এবং কনেপক্ষ একে অপরের বিয়ের খরচ এবং গয়না একে অপরকে ফিরিয়ে দিলেই মামলার নিষ্পত্তি হবে। পুলিশের সঙ্গে কথা বলে মধ্যস্থতার পর এই শর্তেই শেষ অবধি দুই পক্ষ নিজেদের শান্ত রেখেছে।












Click it and Unblock the Notifications