কাশ্মীর অশান্ত করার চেষ্টা করছে কে? মোদী সরকারের পাশে দাঁড়িয়ে রিপোর্ট প্রকাশ আমেরিকার

পাকিস্তান বরাবর অভিযোগ করে এসেছে যে কাশ্মীরে ভারতীয় সরকার মানবাধিকার লঙ্ঘন করে আসছে। তবে এবার কাশ্মীর ইস্যুতে নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন ভারত সরকারের পাশেই দাঁড়াল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। সদ্য প্রকাশিত একটি বিশ্ব মানবাধিকার সংক্রান্ত রিপোর্টে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তরফে দাবি করা হয়েছে যে সেখানে অশান্তি ছড়ানোর নেপথ্যে রয়েছে জঙ্গি সংগঠনগুলি।

নিরাপত্তারক্ষী এবং স্থানীদের উপর আক্রমণ ও অত্যাচার চালাচ্ছে জঙ্গিরা

নিরাপত্তারক্ষী এবং স্থানীদের উপর আক্রমণ ও অত্যাচার চালাচ্ছে জঙ্গিরা

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রকাশিত 'দেশগুলির মানবাধিকার অনুশীলন সংক্রান্ত রিপোর্ট ২০২০' শীর্ষক রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, কাশ্মীরে পুরোনো অবস্থায় ফিরিয়ে নাওয়ার লক্ষ্যে আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। তবে সেখানে মানবাধিকার লঙ্ঘন করছে জঙ্গি সংগঠনগুলি। দোষীদের তালিকায় নাম রয়েছে মাওবাদীদেরও। রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে কীভাবে নিরাপত্তারক্ষী এবং স্থানীদের উপর আক্রমণ ও অত্যাচার চালাচ্ছে জঙ্গিরা।

কাশ্মীরের স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে দরাজ সার্টিফিকেট মার্কিন রিপোর্টে

কাশ্মীরের স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে দরাজ সার্টিফিকেট মার্কিন রিপোর্টে

ভারতীয় সরকার যে কাশ্মীরে ইন্টারনেট পরিষেবা আংশিক ভাবে পুনর্বহাল করেছে এবং জম্মু ও কাশ্মীরের স্থানীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে, তা উল্লেখিত রয়েছে মার্কিন রিপোর্টে। অন্যদিকে জঙ্গি সংগঠনগুলি এই সময় একাধিক হামলা চালিয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া ঝাড়খণ্ড সহ অন্যান্য মাওবাদী অধ্যুষিত এলাকায় মাওবাদীদের হামলার প্রসঙ্গও উঠে এসেছে রিপোর্টে।

জঙ্গিদের হাতে প্রাণ হারিয়েছেন ৯৯ জন সাধারণ মানুষ

জঙ্গিদের হাতে প্রাণ হারিয়েছেন ৯৯ জন সাধারণ মানুষ

মার্কিন রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতে গত এক বছরে জঙ্গি হানায় প্রাণ হারিয়েছে ৯৯ জন সাধারণ মানুষ, শহিদ হয়েছে ১০৬ জন নিরাপত্তারক্ষী। এছাড়া এই সময়কালে ভারতে মোট ৩৮৩ জন জঙ্গিকে খতম করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। এছাড়া জম্মু ও কাশ্মীরে গত বছরের জুলাই পর্যন্ত ৬ জন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকেও জঙ্গিরা মেরেছে বলে রিপোর্টে উল্লেখিত রয়েছে।

মতামত প্রকাশের স্বাধীনতা খর্ব

মতামত প্রকাশের স্বাধীনতা খর্ব

তবে কাশ্মীর ইস্যুতে মোদী সরকারকে স্বস্তি দিলেও বেশ কয়েকটি বিষয় নিয়ে কেন্দ্রকে অস্বস্তিতে ফেলেছে এই মার্কিন রিপোর্ট। রিপোর্টে বলা হয়েছে, ভারতে সহিংসতা, সহিংসতার হুমকি, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে বিচারবহির্ভূত গ্রেফতার বা মামলা, মতামত প্রকাশের স্বাধীনতা খর্ব এবং সংবাদমাধ্যমের উপর নিষেধাজ্ঞা, সেন্সরশিপ এবং সাইট অবরুদ্ধকরণের জন্য ফৌজদারী মানবাধিকার আইনের ব্যবহার, বেসরকারী সংস্থাগুলির উপর অত্যধিক নিষিদ্ধেজ্ঞা জারি করা হয়।

নন্দীগ্রামে প্রচারের শেষ লগ্নে মিঠুন চক্রবর্তীকে পাশে নিয়ে শুভেন্দু অধিকারী

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+