কাশ্মীর নিয়ে এখনও আছে মধ্যস্থতা ইচ্ছা! এবার ভারতকে সরাসরি নতুন উপদেশ আমেরিকার
কাশ্মীর নিয়ে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করার ইচ্ছা এখনও আছে আমেরিকার প্রেসিডেন্টের। কিন্তু ভারত এই ইচ্ছাকে একেবারেই আমল দেয়নি।
কাশ্মীর নিয়ে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করার ইচ্ছা এখনও আছে আমেরিকার প্রেসিডেন্টের। কিন্তু ভারত এই ইচ্ছাকে একেবারেই আমল দেয়নি। তবে কাশ্মীর নিয়ে এবার উপদেশ এল আমেরিকার তরফে। সেদেশের এক শীর্ষ আধিকারিক জানিয়েছেন, আমেরিকা চায় নতুন দিল্লি কাশ্মীরের ওপর থেকে সীমাবদ্ধতার নির্দেশিকা অর্থাৎ নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করুক।

গত একসপ্তাহের মধ্যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদীর পাশাপাশি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট। শুক্রবার উভয় রাষ্ট্রনেতাকেই দেখা যাবে রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদে ভাষণ দিতে।
এরইমধ্যে মোদীর সঙ্গে ট্রাম্পের সম্পর্কও কারও চোখ এড়িয়ে যায়নি। আমেরিকার এক শীর্ষ আধিকারিক এও বলেছেন, কাশ্মীরের পরিস্থিতি নিয়ে অবগত আছে আমেরিকা.
তাদের রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, তাঁরা আশা করছে সেখানে(কাশ্মীরে) দ্রুত ব্যবস্তা নেওয়া হবে। সেখানে জারি বিভিন্ন নির্দেশিকা তুলে নেওয়ার পাশাপাশি যাঁদেরকে আটক করা হয়েছে, তাঁদেরকে ছেড়ে দেওয়া হবে। বলেছেন, দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক আধিকারিক অ্যালিস ওয়েলস।
গত অগাস্টে কাশ্মীরকে বিশেষ ক্ষমতা দেওয়া ৩৭০ ধারা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। তারপর থেকেই সেখানকার সবকটি রাজনৈতিক দলের সদস্যদের গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছে। শুধুর দিকে সবরকমের ফোনে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। বর্তমানে ল্যান্ডলাইনে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছে প্রশাসনের তরফ থেকে।
মিসেস ওয়েলস জানিয়েছেন, আামেরিকা কাশ্মীর নিয়ে তাদের উদ্বেগের কথা জানিয়েছে সর্বোচ্চ পর্যায়ে। তিনি বলেছেন, আমেরিকা চায়, আটক নেতাদের মুক্তি দিয়ে সেখানে দ্রুত নির্বাচনের ব্যবস্তা করুক সরকার। এই এলাকায় উত্তেজনা হ্রাস পেলে, সারা বিশ্বই উপকৃত হবে বলে মনে করছেন তিনি।
এদিকে কাশ্মীর নিয়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের বক্তব্য অসহনীয় বলে মনে করে আমেরিকা। এমনটাই জানিয়েছেন মিসেস ওয়েলস। দুই পারমানবিক শক্তি সম্পন্ন দেশের মধ্যে উত্তজনা কমিয়ে আনার পক্ষেই আমেরিকা।












Click it and Unblock the Notifications