লাদাখ দ্বন্দ্বে ভারতের পাশে আমেরিকা, নয়াদিল্লিতে দাঁড়িয়ে চিনকে তোপ মাইক পম্পেওর
চিনের বিরুদ্ধে ভারতের পাশেই রয়েছে আমেরিকা। এদিন দিল্লিতে দাঁড়িয়ে চিনের উদ্দেশে সাফ বার্তা দিলেন মার্কিন সেক্রেটারি অফ স্টেট মাইক পম্পেও। আজ সকালে পম্পেও এবং এসপার ন্যাশনাল ওয়ার মেমোরিয়ালে গিয়ে ভারতের বীর শহীদ জওয়ানদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এরপরই গালওয়ান সংঘর্ষ নিয়ে চিনকে তোপ দেগে ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বের বার্তা দেন পম্পেও।

কী বলেন মাইক পম্পেও
এদিন পম্পেও বলেন, 'আমরা আজ ন্যাশনাল ওয়ার মেমোরিয়ালে গিয়ে ভারতের বীর শহীদ জওয়ানদের প্রতি শ্রদ্ধা জানালাম। এই জওয়ানরা বিশ্বের সর্ববৃহৎ গণতন্ত্রকে রক্ষা করতে নিজেদের প্রাণ উৎসর্গ করেছিলেন। গালওয়ান উপত্যকাতেও সম্প্রতি ২০ জন জওয়ান হিদ হন। ভারতের সার্বভৌমত্ব রক্ষার্থে চিরকাল দিল্লির পাশে দাঁড়াবে ওয়াশিংটন।'

চিনকে তোপ দাগেন মাইক পম্পেও
চিনকে তোপ দেগে তিনি আরও বলেন, 'ভারত এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তাদের বন্ধুত্বকে আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে আরও অনের পদক্ষেপ নিচ্ছে। আমরা একে অপরকে সাহায্য করতে বদ্ধপরিকর। আমরা গতবছরই সাইবার ক্ষেত্রে একে এপরকে সহায্য করার পরিধি বাড়িয়েছি। একই ভাবে চিনের কমিউনিস্ট পার্টির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রেও আমরা একে অপরের হাত ধরেই এগিয়ে যাব। আমাদের নৌবাহিনী ইতিমধ্য়েই যৌথ ভাবে মহড়া শুরুও করেছে।'

অজিত ডোভালের সঙ্গে বৈঠক করেন পম্পেও
এদিকে এদিনই আমেরিকার সেক্রেটারি অফ স্টেটস মাইক পম্পেওর সঙ্গে বৈঠক করলেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন আমেরিকার নিরাপত্তা সচিব মার্ক টি এসপার। ভারত ও আমেরিকার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বিষয়গুলি আলোচনায় উঠে এসেছে বলে জানা গিয়েছে।

আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে একে অপরকে সাহায্যের আশ্বাস
বৈঠকে দুই পক্ষ আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে একে অপরকে সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছে। পাশাপাশি নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়ে ভারত ও অ্যামেরিকা একযোগে কাজ করবে বলে জানিয়েছে। গতকাল দিল্লিতে পৌঁছান মাইক পম্পেও। দু'দেশের মধ্যে নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার জন্য পম্পেও এবং এসপার দিল্লিতে এসেছেন। গতকাল তাঁদের সঙ্গে কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং এবং বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর দু'দফায় বৈঠক করেছেন।

লাদাখের বর্তমান পরিস্থিতির নিরিখে তাৎপর্যপূর্ণ
লাদাখে ভারত-চিন সীমান্ত বা প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর বেশ কিছু জায়গায় ভারতীয় ও চিনা সেনাবাহিনী প্রচুর সংখ্যক সেনা মোতায়েন করে রেখেছে। গত ছয় মাসে দু'বার মুখোমুখি হওয়ার পর দুই দেশের তরফে উত্তেজনা আরও বাড়াতে ও নিজেদের কঠোর অবস্থান বোঝাতে আরও সেনা মোতায়েন করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে ভারতে এসে মার্কিন সচিবের চিনকে এহেন হঁশিয়ারি দেওয়া যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications