মার্কিন নিয়ন্ত্রনে থাকা কাবুল এয়ারপোর্ট থেকে প্রত্যেকদিন ভারতীয়দের নিয়ে উড়বে দুটি করে বিমান
আফগানিস্তানে থাকা বাসিন্দাদের ফেরাতে তোড়জোড় শুরু করেছে সব দেশই। ইতিমধ্যেই একাধিক ভারতীয়কে ভারতে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। এখনও আটকে আছেন অনেকে।
আফগানিস্তানে থাকা বাসিন্দাদের ফেরাতে তোড়জোড় শুরু করেছে সব দেশই। ইতিমধ্যেই একাধিক ভারতীয়কে ভারতে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। এখনও আটকে আছেন অনেকে।
তবে এ বার ভারতীয়দের জন্য কিছুটা স্বস্তির খবর। হামিদ কারজাই তথা কাবুল বিমানবন্দরের দায়িত্বে থাকা মার্কিন সেনা প্রত্যেকদিন ভারতের দুটি করে বিমান ওড়ানোর অনুমতি দিয়েছে।

বিমাবন্দরের দায়িত্বে থাকা ন্যাটো বাহিনী প্রত্যেকদিন ২৫টি করে বিমান ওড়ানোর ব্যবস্থা করেছে।
ওই সব বিমানেই ফেরানো হচ্ছে বহু নাগরিক, অস্ত্রসস্ত্র। এখনও আফগানিস্তানে অন্তত ৩০০ ভারতীয় আটকে রয়েছে বলে খবর।
তিনটি রুটে কাবুল থেকে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে ভারতীয়দের। দুশানবে, তাজিকিস্তান, কাতার এই তিন পথে আসছে বিমানগুলি।
জানা গিয়েছে, আজ ও আগামিকাল অর্থাৎ রবিবারের মধ্যে ভারতে ৮৫জনকে নিয়ে ফিরবে একটি বিমান। এর আগে চলতি সপ্তাহের প্রথম দিকে ১২০ জন ভারতীয়কে নিয়ে একটি বিমান এসেছে ভারতে। ভারতীয়দের যাতে নিরাপদে ফিরিয়ে আনা যায় তার জন্য বিদেশ মন্ত্রকের তরফে কাবুল বিমানবনন্দরের দায়িত্বে থাকা আধিকারিকদের সঙ্গে কথা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর।
ইতিমধ্যেই আফগানিস্তানে পাঠানো সেনার সংখ্যা বাড়ানোর কথা জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। একই সঙ্গে তিনি এ-ও জানিয়েছেন যে, আগামী ৩১ অগস্ট পর্যন্ত যে ডেডলাইন স্থির করা হয়েছে, প্রয়োজনে তার থেকে বেশি সময় রাখা হবে সেনাবাহিনীকে।
বাইডেন জানিয়েছেন, আফগানিস্তানে আমেরিকার দূতাবাসের কর্মীদের সরিয়ে আনার পাশাপাশি সেনাকে সাহায্য করার জন্য সে দেশের নাগরিকদেরও নিরাপদে সরিয়ে আনার কাজ চলবে। সেই সঙ্গে হুঁশিয়ারি দিয়ে প্রেসিডেন্ট বলেন, 'আমেরিকার কর্মীদের বা আমাদের এই মিশনে বাধা দিলে ঘটালে তার দ্রুত জবাব দেবে মার্কিন সেনা।
অন্যদিকে মার্কিন সেনা সদর দফতর পেন্টাগনের হিসেব অনুযায়ী, প্রায় ৩০ হাজারের কাছাকাছি মানুষকে আফগানিস্তান থেকে সরানোর কাজ করবে আমেরিকা।
উল্লেখ্য, ১৫ অগস্টের দিনই তালিবানরা কাবুলের দখল নেয়। ওই দিন রাতেই আফগানিস্তানে উড়ে যায় দুটি ভারতীয় বায়ুসেনার সি-১৭ গ্লোবমাস্টার। তাদের সঙ্গে ছিল আইটিবিপির জওয়ানরাও। তবে পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে ১৫ অগস্টের রাতে কোনও উদ্ধারকাজ শুরু করা যায়নি।
ভারতীয় দূতাবাসের ওপর কড়া নজর রেখেছিল তালিবানরা। পরের দিন রাতের মধ্যেই ফিরিয়ে আনা হয় ৪৫ জন ভারতীয়কে। পরে বায়ুসেনার সি-১৭ গ্লোবমাস্টার বিমানে ফেরত আনা হয় ৯৯ জন জওয়ান ও ২১ জন ভারতীয়কে। তবে এই মুহূর্তে মার্কিন সেনার একেবারে ঘেরাটোপে রয়েছে কাবুল বিমানবন্দর। সেখানে এখনও ঢুকতে পারেনি তালিবানরা। ফলে এই অবস্থায় যেভাবেই হোক বিমান বন্দরের মধ্যে ঢুকতে চাইছে আফগানরা।












Click it and Unblock the Notifications