করোনা টিকাকে আরও সস্তা করতে নতুন প্রচেষ্টা মোদী সরকারের, দেশে শুরু হতে চলেছে মার্কিন টিকার ক্লিনিকাল ট্রায়াল

করোনা টিকাকে আরও সস্তা করতে নতুন প্রচেষ্টা মোদী সরকারের, দেশে শুরু হতে চলেছে মার্কিন টিকার ক্লিনিকাল ট্রায়াল

আমেরিকায় তৈরি করোনা টিকার ক্লিনিকাল ট্রায়াল শুরু হতে চলেছে ভারতে। অপেক্ষা কৃত কম খরচে তৈরি এই করোনা টিকার ক্লিনিকাল ট্রায়ালে সাফল্য এলে অনেক বেশি সাধারণ মানুষ সুবিধা পাবেন। কারণ করোনা
িটকা অনেক বেশি সস্তা হবে। ক্লিনিকাল ট্রায়াল শুরুর আগে যথারীতি সুরক্ষার মাপকাঠি করার জন্য কাসুইলির সেন্ট্রাল ড্রাগ ল্যাবরেটারিতে পাঠানো হয়েছে।

দেশে শুরু হতে চলেছে মার্কিন টিকার ক্লিনিকাল ট্রায়াল

আমেরিকার সংস্থা অ্যাকস্টন বায়োসায়েন্সের তৈরি এই করোনা ভ্যাকসিন সেকেন্ড জেনারেশনের বলে জানা গিয়েছে। সর্বনিম্ন ২৫ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রায় এই করোনা ভ্যাকসিন ৬ মাস পর্যন্ত থাকতে পারে। আর সর্বোচ্চ ৩৭ ডিগ্রি সেন্ট্রিগ্রেড তাপমাত্রা ১ মাস পর্যন্ত থাকতে পারে এই করোনা টিকা। জানা গিয়েছে কৌশালিতে পরীক্ষাগারে এই ভ্যাকসিনের সুরক্ষাবিধি পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। সেখানে সব ঠিকঠাক থাকতে এক মাসের মধ্যে দেশের ১২টি শহরে শুরু হয়ে যাবে এই ভ্যাকসিনের ক্লিনিকাল ট্রায়াল।

এক মাসের মধ্যে ক্লিনিকাল ট্রায়াল শুরু করা গেলেও এটা েশষ হতে ১ বছর লেগে যাবে। কাজেই ২০২২ সালের শেষের দিকেই এর ফলাফল জানা যাবে। তার আগে সেটা বাজারে আসবে না। মোট ১৬০০ ব্যক্তির উপর সেকেন্ড ও থার্ড ফেজের ক্লিনিকাল ট্রায়াল হবে। সূত্রের খবর এই করোনা টিকা হয়তো মোদী সরকার দেশের মানুষের জন্য ব্যবহার করবে না তবে এটি তৈরি করে বাইরে রপ্তানি করবে। কারণ এখনও বিশ্বের একাধিক দেশের হাতে করোনা টিকা পৌঁছয়নি। বিশেষ করে আফ্রিকা এবং মধ্য প্রাচ্যের একাধিক দেশে করোনা টিকা পৌঁছয়নি। মহারাষ্ট্র, কর্নাটক, তামিলনাড়ু, রাজস্থান এবং গুজরাতের একাধিক হাসপাতালে এই করোনা টিকার ক্লিনিকাল ট্রায়াল হবে। এই ভ্যাকসিনের একটা সুবিধা হল েযসব দেশে করোনা টিকা সংরক্ষণের সুবন্দোবস্ত নেই েসই সব দেশে এই টিকা ভাল করে সংরক্ষিত করে রাখা যাবে।

এই করোনা টিকা নির্মাণকারী সংস্থা দাবি করেছে সাধারণ ঘরের তাপমাত্রায় এই টিকা অনায়াসে ৬ মাস পর্যন্ত কার্যকর থাকতে পারে। এই টিকা মজুত করার জন্য আলাদা করে কোনও পরিকাঠামো তৈরির প্রয়োজন নেই। কেনিয়ার মত উষ্ণ তাপমাত্রার দেশেও এই ভ্যাকসিন যথেষ্ট ভাল কার্যকর বলে দাবি করা হয়েছে সংস্থার পক্ষ থেকে। অন্য যেকোনও করোনা টিকার থেকে কম খরচে এই করোনা টিকা তৈরি করা সম্ভব। এই ধরনের করোনা টিকাকাকে থার্ড জেনারেশন করোনা ভ্যাকসিন বলা হচ্ছে। কোভ্যাকসিন, কোভিশিল্ড, ফাইজার, মডের্না, জনসন অ্যান্ড জনসনের করোনা টিকাকে ফার্স্ট জেনারেশনের করোনা টিকা বলা হয়। করোনার উৎসপত্তিকালীন সময়ের শক্তি অনুযায়ী করোনা ভাইরাসের টিকা তৈরি হয়েছিল এগুলি। তার পরে নানা ধরনের ভ্যারিয়েন্ট বেরিয়েছে করোনা ভাইরাসের। সেগুলির উপর নির্ভর করেই পরের করোনা ভাইরাসের টিকাগুলি ধাপে ধাপে প্রতিষেধকের মাত্রা বাড়িয়ে তৈরি করা হয়েছে।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+