দেবযানী খোবরাগাডের বিরুদ্ধে অভিযোগ খারিজ মার্কিন আদালতে

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত ভারতের ডেপুটি কনসাল জেনারেল দেবযানী খোবরাগাডেকে গ্রেফতারের পর নগ্ন করে তল্লাশি চালানো হয়েছিল। অভিযোগ ছিল, তিনি জাল ভিসা দাখিল করে ভারত থেকে পরিচারিকাকে নিয়ে এসেছেন। এমনকী, সেই পরিচারিকাকে ন্যূনতম বেতনও দেন না। এই গ্রেফতারির বিরুদ্ধে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিল ভারত। নয়াদিল্লির বক্তব্য ছিল, তাঁর কূটনীতিক রক্ষাকবচ রয়েছে। ফলে এই গ্রেফতারি বেআইনি। অন্যদিকে, ঘটনার জেরে দু'দেশের সম্পর্ক তলানিতেও পৌঁছয়।
শেষ পর্যন্ত দেখা গেল, ভারতের দাবিই প্রতিষ্ঠা পেল মার্কিন আদালতে। আন্তর্জাতিক আইন উল্লেখ করে আদালত বলেছে, কূটনীতিক রক্ষাকবচ থাকলে এইভাবে কোনও বিদেশি কূটনীতিকের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করা যায় না। পুলিশ যা করেছে, তা আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। আদালতের ঘোষণার পর মার্কিন প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে উঠেছে।
দেবযানী খোবরাগাডের আইনজীবী ড্যানিয়েল আরশাক বলেছেন, "বিচারক যা বলেছেন, তা একদমই আইনসম্মত। এই রায়কে আমি স্বাগত জানাচ্ছি। আমার মক্কেল এতদিন খুব মনমরা ছিলেন। আদালতের রায় শুনে উনি খুশি হয়েছেন।"
এর জেরে প্রশ্ন উঠে গেল প্রীত ভরারা-র ভূমিকা নিয়ে। প্রসঙ্গত, মার্কিন মুলুকের সরকারি কৌঁসুলি প্রীত ভরারা বেছে বেছে ভারতীয়দের বিরুদ্ধে মামলা ঠুকছেন বলে দাবি করেছে প্রবাসী ভারতীয়দের একাংশ। উচ্চাকাঙক্ষী প্রীত ভরারা নাকি এভাবে মার্কিন প্রশাসনের নজর আকর্ষণ করে চাইছেন। ভারতীয় বংশোদ্ভূত প্রীত ভরারা ব্যক্তিগতভাবে ভারত এবং ভারতীয়দের বিরুদ্ধে চরম অশ্রদ্ধা প্রদর্শন করতে অভ্যস্ত বলে খবর ওয়াকিবহাল মহলের। দেবযানী খোবরাগাডের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা এবং চার্জ গঠন, পুরোটাই করেছিলেন প্রীত ভরারা।












Click it and Unblock the Notifications