এই গ্রামে মাছ বেচেই ব্যবসা হয় ৪০০ কোটির
মুম্বইয়ের ভারাসোভার কোলিওয়াড়ায় সারা বছরে প্রায় ৪০০কোটি টাকা অঙ্কের মাছের ব্যবসা চলে।
মুম্বই, ৫ ফেব্রুয়ারি : বাণিজ্য নগরী মুম্বইয়ের একের পর এক নামী দামী কর্পোরেট সংস্থার নাম চোখ বুজে অনেকেই বলে দিতে পারবেন। সংস্থা গুলির ব্যবয়াসিক আয় ব্যায়ের দিকটিতে নজর থাকে অনেকেরই। তবে এই কর্পোরেট জগতের বাইরেও মুম্বইয়ের এক দূর সমুদ্রতটে চলে বহুমূল্য টাকার ব্যবসা। খবর মুম্বইয়ের ভারাসোভার কোলিওয়াড়ার। সেখানে সারা বছরে প্রায় ৪০০কোটি টাকা অঙ্কের ব্যবসা চলে। এই পরিমাণ টাকা আসে শুধুমাত্র এলাকার মাছের ব্যবসা থেকে।
মহারাষ্ট্রের এক অন্যতম উপজাতি কোলি। এই কোলিরা সাধারণত মাছের ব্যবসার সঙ্গেই যুক্ত পরম্পরাগতভাবে । কোলিদের সেই ব্যবসাকে ধরে রেখেই, একসময়কার আধাগ্রাম কোলিওয়াডা় এখন কোনও শহরের থেকে কম যায়না। ৪ হাজার পরিবারের রুজি রুটির মূল স্তম্ভ হল ৩০০ টি ট্রলার। আর দিয়েই সমানতালে লড়ে যাচ্ছেন এলাকার মৎসব্যবসার সঙ্গে জড়িত মানুষ। শুধু তাই নয়, ২০০৫ সাল থেকে এলাকায় মৎস উৎসব পালিত হয়। সেখানে কমপক্ষে ৬০ টি করে স্টল বসে। জানান গিয়েছে প্রতিটি স্টল আয় করে ৫ থেকে ৬ লক্ষ টাকা।

এলাকার 'ভেসাভা সোসাইটি'-এর প্রধান জানিয়েছেন ৩০০ টি ট্রলারের মধ্যে প্রায় প্রতিটি থেকেই আসে ৩ লক্ষ টাকার মাছ। পাশাপাশি তিনি জানান, এলাকার ৩ হাজার বাসিন্দা যদি প্রত্য়ক্ষ মৎসজীবী হন তাহলে পরোক্ষে এই ব্যবসার সঙ্গে জুড়ে রয়েছেন প্রায় ৫ হাজার মানুষ।
এলাকার মাছ ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত আরেক নাম সন্ধ্যা ভাঞ্জে। দুপুর নাগাদ জেটি-তে এসে তিনি তাঁর ব্যবসার তত্ত্বাবধান করেন। মূলত মাছ ট্রলারে আসে, আর সেই মাছকে ট্রাকে তুলে রপ্তানির জন্য পাঠানো হয়, আর সেই কাই তিনি দেখাশোনা করেন। তাঁর পরিবারের ৭ টি ট্রালার প্রতিমাসে ২ থেকে ৩ বার যায় মাছ ধরতে। প্রতিবারই ট্রলার গুলি যদি ৩ লাখ টাকার হিসাবে মাছ আনে, তাহলে আপনিই ভাবুন অঙ্কের বিচারে এদের কত লাভ হয়!












Click it and Unblock the Notifications