চোখে বাইনোকুলার, হুডখোলা গাড়িতে দাঁড়িয়ে স্ট্রংরুমের ওপর নজরদারি উত্তরপ্রদেশের সপা প্রার্থীর
চোখে বাইনোকুলার, হুডখোলা গাড়িতে দাঁড়িয়ে স্ট্রংরুমের ওপর নজরদারি উত্তরপ্রদেশের সপা প্রার্থীর
উত্তরপ্রদেশে সাত দফায় বিধানসভা নির্বাচন শেষ হয়ে গিয়েছে। এখন শুধুই অপেক্ষা ভোট গণনার। যোগী আদিত্যনাথের সরকার আবার ফিরতে চলেছে নাকি ভোল পাল্টাবে উত্তরপ্রদেশে তা জানার অপেক্ষায় রয়েছে গোটা দেশ। এই পরিস্থিতিতে শাসকদল যাতে ইভিএমে কোনওরকম কারচুপি করতে না পারে, তা দেখতে তৎপর বিরোধীরা।

স্ট্রং রুমের বাইরে কড়া প্রশাসনিক নিরাপত্তা থাকা সত্ত্বেও চুপ করে বসে থাকতে পারলেন না হস্তিনাপুরের সমাজবাদী পার্টির প্রার্থী যোগেশ বর্মা। তিনি নিজেই মেরঠের কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে নজর রেখে চলেছেন। চোখে বাইনোকুলার নিয়ে হুডখোলা গাড়ির আসনে দাঁড়িয়ে নজর রাখছেন স্ট্রং রুমের দিকে। কারণ মেরঠের হস্তিনাপুর কেন্দ্রের তিনটি জেলার ইভিএম এই বিশ্ববিদ্যালয়েই রাখা হয়েছে। এখানেই হবে গণনা। সমাজবাদী পার্টির প্রার্থীর এই অদ্ভুত কাণ্ড ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়ে গিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। এই ভিডিও দেখে হেসে কুটোপুটি খাচ্ছেন নেটিজেনরাও। এভাবে স্ট্রং রুমের ওপর নজরদারি সত্যিই অভিনব, দাবি নেটিজেনদের।
তবে এই বিষয়ে হস্তিনাপুরের প্রার্থী যোগেশ বর্মা বলেন, 'সপা প্রধানের পক্ষ থেকে আদেশ এসেছে যে ইভিএম স্ট্রংরুমের ওপর কড়া নজর রাখতে হবে এবং শাসক দলের অন্যান্য পদক্ষেপের ওপর নজর রাখা জরুরি। আমাদের এক্সিট পোলের ওপর বিশ্বাস নেই, অখিলেশ যাদব পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হবেন। আমরা সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গড়ব।'
#WATCH | Samajwadi Party candidate from Hastinapur constituency in Meerut district, Yogesh Verma keeps an eye on EVM strong room with binoculars to prevent mishandling pic.twitter.com/0eB8FO4vQO
— ANI UP/Uttarakhand (@ANINewsUP) March 8, 2022
প্রসঙ্গত, সোমবারই উত্তরপ্রদেশে শেষ হয়েছে সপ্তম দফার নির্বাচন। এদিন বারাণসী, জনপুর, গাজিপুর, মির্জাপুর, আজমগড়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ আসনগুলিতে নির্বাচন হয়। প্রসঙ্গত, ষষ্ঠ দফা নির্বাচনের দিন ভোট দিয়ে দাবি করেন যোগী আদিত্যনাথ, উত্তরপ্রদেশে সরকার গড়বে বিজেপি'ই। অন্যদিকে ১০ মার্চ ভোট গণনার আগেই নিজেদের জয় নিয়ে বেশ আত্মবিশ্বাসী সমাজবাদী পার্টিও। তবে বিজেপির এইবার জোর দিয়েছে আজমগড়ের দিকে কারণ, এটি জোরদার সপার ঘাঁটি। গত বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি রাজ্যে ৩২৫টি আসন জেতা সত্ত্বেও ২০১৭ সালে তারা এই আজমগড়ে ১০টি আসনেই হেরে গিয়েছিল। সেই কারণে সপার এই ঘাঁটিকে ভাঙতে বিজেপি এবার বদ্ধপরিকর ছিল। তবে শেষ হাসি কে হাসবে তা ১০ মার্চের ফলাফলই বলে দেবে। অপেক্ষা মাত্র দু'দিনের।












Click it and Unblock the Notifications